আর জি কর কাণ্ডে আজ অর্থাৎ সোমবার শুনানি হয়। সেই শুনানি অনুযায়ী বিজেপি রাজ্য সভাপতি কি প্রতিক্রিয়া দিলেন চলুন জেনে নেওয়া যাক।
আজকের রায়ের বিষয় তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন সুপ্রিম কোর্ট যেভাবে রায় দিচ্ছে এবং সিবিআই কিভাবে রিপোর্ট জমা পড়েছে, সেই হিসেবে যদি রাজ্য সরকার হস্তক্ষেপ করতে চায় সেক্ষেত্রে বিজেপি নেতার কিছু বলার নেই। অবশ্য তা সম্পূর্ণটাই নির্ভর করবে জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর। তারা যার সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই গ্রহণযোগ্য। তিনি আরো বলেন যে গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকেরই প্রতিবাদ জানানোর ক্ষমতা রয়েছে এবং তাদের প্রতিবাদে সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির।
তিনি এও বলেন যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে যদি রায় না পায় তাহলে আরও আন্দোলন বাড়বে এবং তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চাইলেন ছুড়ে দিয়েই বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতজনকে সাসপেন্ড করার করুক। এছাড়াও তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নে অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলা এই কর্ম বিরতির জেলে প্রায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে মুখ্যমন্ত্রী গাফিলতিতে আজ স্বাস্থ্য পরিকাঠামত দুর্নীতি হচ্ছে এবং হসপিটালের বর্জ্য বস্তু পর্যন্ত পাচার হচ্ছে সেই জায়গায় উনার মুখে এ কথা মানায় না।
আর জি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার বাবা-মা সাংবাদিক বৈঠক করে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে তারা যখন তাদের মেয়ের মৃতদেহ আগলে বসেছিলেন সেই সময়ে প্রশাসনের তরফ থেকে এসে তাদের টাকা অফার করা হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে বলেন এমন ঘটনা ঘটেনি যদিও ঘটে থাকে তাহলে তার শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে মনে করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত ভট্টাচার্য বলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্য সভা মঞ্চ থেকে 10 লাখ টাকা দেবার দাবি জানায় সে ক্ষেত্রে সেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসন টাকা অফার করেনি সেটা মিথ্যে হতে পারে না।
এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী একমাস হয়েছে এবার উৎসবে ফিরুন এই বক্তব্যের সরব হয়ে বলেন যে, দেবী দুর্গা আসেন তিনি ই যেমন আসেন আসবেন সবাই তাকে বরণ করে নেবেন থেকে কিন্তু বাঙালি এবার দুঃখ নিয়ে পুজো কাটাবে। আর বলেন মুখ্যমন্ত্রীর আনন্দ করা হলে তিনি তার ভাইপোকে নিয়ে করতে পারেন।







