রাজ্য

রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে সতর্ক করলো AIMS

আরজিকরের কর্তব্যরত জুনিয়র মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আন্দোলন এখনো চলছে। এবার হাসপাতালে ডাক্তারদের সুরক্ষা সহ একাধিক দাবি নিয়ে গত ১০ দিন ধরে অনশনে বসেছে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। তবে রাজ্য সরকারের সদর্থক ভূমিকার দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করে আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। সেই নিয়ে এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সতর্ক করলো দিল্লি এইমস ও চণ্ডীগড় পিজিআই-এর রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন।

আরজিকরের এই নিন্দনীয় ঘটনার পর অতিক্রান্ত হয়েছে দুই মাসেরও বেশি সময়। তারপরেও প্রতিনিয়ত বিচারের দাবিতে চলছে আন্দোলন। এর আগে লাগাতার আরজিকর হাসপাতালের সামনে ধর্ণায় বসেছিল জুনিয়র ডাক্তাররা। এরপর লালবাজার অভিযান করেন তারা।

পাশাপাশি স্বাস্থ্য ভবনের সামনে তারা বহু দিন অবস্থান বিক্ষোভ করে তাদের বেশ কয়েক দফা দাবি নিয়ে। এরপর ডাক্তারদের সুরক্ষার দাবি সহ ১০ দফা দাবি নিয়ে ধর্মতলায় অনশনে বসেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। পাশাপাশি বিভিন্ন হাসপাতালে একাধিক সিনিয়র ডাক্তাররা ইস্তফা দিচ্ছেন। সময় যতই এগোচ্ছে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে পরছে। আন্দোলনকারী ডাক্তারদের এই অনশন চলছে প্রায় ১০ দিন ধরে। ইতিমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পরেছে পাঁচজন আন্দোলনকারীর জুনিয়র ডাক্তার।

প্রতিনিয়ত সেই আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন অন্যান্য ডাক্তার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার যথাযথ ভূমিকা পালন করছে না বলে বারংবার অভিযোগ করছে আন্দোলনকারী ডাক্তাররা। তাই এই পরিস্থিতিতে কড়া ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সতর্ক করল দিল্লি এইমস ও চণ্ডীগড় পিজিআই-এর রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন।

দিল্লি এইমস ও চণ্ডীগড় পিজিআই-এর রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের চিঠিতে স্পষ্ট লেখা রয়েছে যাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্রুত তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে এই জটিলতা কাটিয়ে তোলে। এমনকি তারা নিজের মতো পুরো বিষয়টা পাঠিয়ে দেখবে কোনটা যুক্তিযুক্ত বলে জানিয়েছে তারা। তবে এই অনশনের মধ্যে যদি কোনো চিকিৎসকের কোনোরকম ক্ষতি হয় তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে থাকবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.