সুগার-প্রেশারের রোগীবাংলার ঘরে ঘরে।সম্প্রতি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR) একটি সমীক্ষা চালিয়েছে, তাতে দেখা গেছে বাংলাতে পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে ওবেসিটি মারাত্মকভাবে বাড়ছে।
রাজ্য স্বাস্থ্যভবন স্থির করেছে, ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলার ৭৫ লক্ষ হাই প্রেশার ও সুগারের রোগীকে সরকারি চিকিত্সার আওতায় আনা হবে।ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমবঙ্গের ১৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক সুগার এবং ২০ শতাংশ উচ্চরক্তচাপের সমস্যায় ভুগছে। সংখ্যার দিক থেকে তা হল যথাক্রমে ৯০ লক্ষ এবং ১ কোটি। তার মধ্যেই ৭৫ লক্ষ সুগার ও প্রেশারের রোগীকে সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যভবন।
এর জন্য প্রতি মাসে গ্রামীণ এলাকা এবং শহরাঞ্চলে অন্তত দু’টি করে ক্যাম্প করতে হবে।সুগার ও প্রেশারের টেস্ট হবে বিনামূল্যে।আইসিএমআরের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিশ্রমবিমুখতা, এক জায়গায় বসে কাজ এবং জীবনযাত্রায় অসংযমই এর কারণ। আগে মানুষজন শারীরিক পরিশ্রম করতেন বেশি, এখন তা খুবই কম হয়। এমনকি গ্রামাঞ্চলগুলিতেও দেখা গেছে, আগের মতো অ্যাকটিভিটি কম।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলার শহরাঞ্চলে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনের (১৯.১ শতাংশ) সুগার আছে। গ্রামীণ এলাকায় প্রতি আটজনের (১১.৪ শতাংশ) মধ্যে একজন সুগারের রোগী।







