ডিএ আন্দোলনকারীদের ধর্না মঞ্চের কাছেই শহিদ মিনারে তৃণমূলের ছাত্র-যুব সমাবেশ। সেখান থেকেই কেন্দ্রের প্রতি তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উবাচ, ‘আমার পেছনে ইডি সিবিআই লাগাতে হবে না। দুর্নীতিতে আমার যোগসাজশ থাকলে প্রমাণ করুক আমি নিজেই মৃত্যুবরণ করব। সিবিআই করুন। কিন্তু মানুষের কাজের জন্য টাকা দিন। আমি জেদি ছেলে। একা হলেও আমি দিল্লিতে যাব। দিল্লি অচল করে ছাড়ব।’
অভিষেকের মুখে শোনা যায় এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলার কথা, ‘আমরা চাই যেখানে দুর্নীতি রয়েছে, শাস্তি হোক। যেখানে অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত হোক। কিন্তু ‘পিক অ্যান্ড চুজ়’ হবে না। যদি এসএসসিকাণ্ডে প্রসন্ন রায় থেকে দিলীপ ঘোষের বাড়ি থেকে দলিল উদ্ধার হয়, কেন দিলীপ ঘোষের ‘কাস্টোডিয়াল ইন্টারোগেশন’ হবে না? বিজেপি করলে আইন আলাদা?’
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তৃণমূলেএ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্য, ‘তৃণমূল একমাত্র দল যারা দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে। আমরা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ৬ দিনের মাথায় সাসপেন্ড করেছি। মন্ত্রিসভা থেকে তাঁকে অব্যাহত দিয়েছি। একাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছি। তাই মানুষের কাছে যখন যাবেন বুক ঠুকে তৃণমূলী হিসেবে যাবেন।’







