দিন কয়েক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে পুজো না করার জন্য হুমকি দিচ্ছে ওই এলাকারই এক যুবক। এরপরেই নিন্দার ঝড় ওঠে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে গোটা রাজনৈতিক মহলে। গতকাল হরিণঘাটা এলাকায় একটি সরস্বতী পুজো মন্ডপে উপস্থিত হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন যে বিদ্যালয়ে পূজার নিষেধাজ্ঞা করে হুমকি দেওয়া হয়েছিল সেই বিদ্যালয়ে পুজো হবে। সে দায়িত্ব প্রশাসনের। প্রয়োজন পড়লে প্রশাসন নিরাপত্তা দিয়ে পুজো করবে। আজ দেখা গেল হরিণঘাটা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ওই বিদ্যালয়ে আসে এবং সেই সঙ্গে প্রচুর রেপ নামানো হয়। ওই বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয় হরিণঘাটার বিডিও মহর্ষিতা বিশ্বাস। তিনি বলেন নিরাপত্তা দেওয়া প্রশাসনের কাজ। সেই কারণে প্রশাসন এসেছে। তবে ছোট একটা ইস্যু ছিল সেগুলো সব মিটে গেছে।
অন্যদিকে ওই এলাকার বাসিন্দা সুদীপ সরকার বলেন, এটা খুব আশ্চর্যজনক বিষয়। প্রাচীনকাল থেকে বিদ্যালয়ের সরস্বতী পুজো হয়ে আসছে। আর সেই পুজোর জন্য বন্দুকধারী প্রচুর পুলিশ পাহারায় পুজো হবে এটা শিক্ষাঙ্গনের চরম লজ্জা। ভয় আতঙ্কের পরিবেশে ছাত্রছাত্রীরা রয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।







