উৎসবের শেষে বিজয়া সম্মিলনী। আরও বেশকিছু দিন ব্যপী চলবে এই কর্মসূচি। বিজয়া সম্মিলনীর মাধ্যমে জনসংযোগ বৃদ্ধির প্রচেষ্টায় তৃণমূল কংগ্রেস। ১২ দিনে ৫০০ জনসংযোগ সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে জোড়াফুল শিবিরের। তৃণমূলের এই সভাকেই এবার কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়ে দিলীপের উবাচ, ‘আমাদের দেখে শিখছে আর কী! টিএমসির বিজয়া সম্মেলনিতে কী হয়, সেটা কি আমরা জানি না? আমরা মণ্ডলে-মণ্ডলে ১২০০ বেশি বিজয়া সম্মেলনী করছি। শুরুও হয়ে গিয়েছে। সেটা দেখে মনে হয়েছে যে, এটা তো জনসংযোগের একটি ভালো মাধ্যম। সেটা যদি হয় আমার মনে হয় এটি একটি ভালো কাজ। সমাজের সবাইকে নিয়ে আনন্দ করা পুজোর পরে মিলিত হওয়া যে অসুরক্ষা, অসামঞ্জস্য সমাজে দেখা যাচ্ছে। সেটা যদি কোনও পার্টি করে সেটা ভালো কথা। তবে সেখানে এগুলো কাটমানির টাকায় হবে। মজ-মস্তি হবে। ডিজে বাজবে।’
তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতি এখন চরমে, এমনই মন্তব্যে সামিল দিলীপ ঘোষ। জগদীপ ধনখড়ের রাজ্য সম্পর্কে করা বক্তব্য টেনে দিলীপের সংযোজন, ‘সাম্প্রদায়িকতা এমন জায়গায় পৌঁছেছে, সেখানেও কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। যারা শাসন করবে, তারা এখন পার্টি বাঁচাতে, নেতা বাঁচাতে ব্যস্ত, পরিবার বাঁচাতে ব্যস্ত, রোজ কোনও না কোনও নেতা, এমপি, এমএলএ জেলে যাচ্ছে, দুর্নীতি চরমে উঠেছে। বিসর্জনের বাজনা বেজে গিয়েছে, সেইজন্যই সরকারের কাছ থেকে আর কিছু আশা করা যাচ্ছে না বলেই মানুষ কোর্টে যাচ্ছে, নাহলে কেন্দ্র সরকারের কাছে বারংবার আবেদন করছে।’







