ফাল্গুন মাস শুরু হতে না হতেই তুমুল ঝড়-বৃষ্টি বাংলার জেলায় জেলায়, সঙ্গে প্রবল শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। কয়েক মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড এলাকা, এর মধ্যে সাঁকরাইলের বনপুরা এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উড়ে গেছে ঘরের এজবেস্টার, ভেঙেছে বাড়ি – গাছ পালা । এছাড়াও ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে দুর্যোগ। রাতে দুই জেলায় ব্যাপক শিলাবৃষ্টি-ঝড়।
স্বপ্নের বাড়িতে থাকার আগেই ঝড়ে ভেঙে পড়ল বাড়ি , বাবা -মা হারা বনপুরার বছর ২৩ এর যুবক রাম দাস,ছোটো বেলায় মারা যায় বাবা, তারপর মা চলে যান বাড়ি ছেড়ে পাতেন অন্য সংসার,মামা বাড়িতে থেকেই কাজ করে তিলে তিলে তৈরি করেছিল স্বপ্নের বাড়ি, কয়েক মিনিটের ঝড়ে সব স্বপ্ন শেষ, কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে রাম ।প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়ার আবেদন বছর ২৩ এর যুবক রাম দাসের।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় ব্রজ্রপাত সহ ঝোড়ো হাওয়া কয়েক মিনিটের ঝড়ে তছনছ হয়ে যায় এলাকার বেশ কিছু কাঁচা বাড়ি, এলাকায় ভেঙ্গে পড়ে যায় গাছও ।
আটকে পড়েছে দূরপাল্লার মালগাড়ি আটকে পড়েছে পুনে দুরন্ত এক্সপ্রেস, ঝড়ে উপড়ে পড়েছে দুটি টাওয়ার, একটা বড় গাছ যার জেরে রাস্তা অবরুদ্ধ খড়গপুর গিরি ময়দান থেকে জগন্নাথ মন্দির যাওয়ার রাস্তা একেবারে বন্ধ। খবর পেয়ে ছুটে আসে খড়গপুর টাউন থানার পুলিশ স্থানীয়দেরকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তা যানজট ক্লিয়ার করাতে ব্যস্ত পুলিশ ও স্থানীয়রা।







