বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং ভরাডুবির সুযোগ নিয়ে ৫০ রানে জয় তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। শক্তিশালী ব্যাটিং প্রদর্শনের পর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রোটিয়াদের হারিয়ে ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনালের মঞ্চ তৈরি করল কিউইরা।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নেয় নিউজিল্যান্ড। ওপেনারদের দ্রুত বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন রাচিন রবীন্দ্র (১০৮) ও কেন উইলিয়ামসন (১০২)। এই জুটির ১৬৪ রানের পার্টনারশিপ কিউইদের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। এরপর ড্যারিল মিচেল (৪৯) ও গ্লেন ফিলিপসের (৪৯*) ঝড়ো ইনিংসে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৬২/৬ রান সংগ্রহ করে ব্ল্যাকক্যাপস। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে লুঙ্গি এনগিদি (৩/৭২) ও কাগিসো রাবাদা (২/৭০) উইকেট পান।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আত্মবিশ্বাসী শুরু করলেও মধ্যপর্যায়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন (৬৯) স্থিতিশীল ইনিংস খেললেও মিডল-অর্ডারে ধস নামে। একমাত্র ডেভিড মিলার (১০০*) শেষপর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান। তবে শেষ ওভারের শেষ বলে শতক পূর্ণ করলেও দলকে জেতাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৩১২/৯ সংগ্রহে আটকে যায় প্রোটিয়ারা। নিউজিল্যান্ডের হয়ে মিচেল স্যান্টনার (৩/৪৩) ও ম্যাট হেনরি (২/৪৩) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ম্যাচের মধ্যভাগে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিতে গিয়ে কাঁধে চোট পান হেনরি। কিছুক্ষণ মাঠের বাইরে থাকলেও পরে ফিরে আসেন। তবে নিউজিল্যান্ড তাঁকে মৃত্যুঞ্জয়ী সময়ে ব্যবহার করেনি। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে হতাশাজনক পারফরম্যান্স করেন মার্কো জানসেন, যিনি ১০ ওভারে ৭৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন।
এই জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারত-নিউজিল্যান্ডের মহারণ নিশ্চিত হলো, যেখানে দুই দলই নিজেদের শিরোপার খোঁজে মাঠে নামবে।







