রমজান মাসে ইসলামের বিরুদ্ধে কুমন্তব্য করার অভিযোগে ইউটিউবারের বাড়িতে ‘গ্রেনেড’ আক্রমন। সূত্রের খবর, রবিবার ভোরে জলন্ধর জেলায় এক ইউটিউবারের বাড়িতে গ্রেনেড জাতীয় বস্তু ছোড়া হয়। কিন্তু ওই বস্তুটি বিস্ফোরিত হয়নি।
ঘটনার পরই পাকিস্তান-ভিত্তিক এক গ্যাংস্টার এই ঘটনার দায় স্বীকার করে, ইউটিউবার সান্ধুর বিরুদ্ধে ইসলামের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ আনে। একটি ভিডিওতে, গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টি, সান্ধুকে গ্রেফতার না করা হলে আরও আক্রমণের হুমকি দেয়।
ঘটনার পর জলন্ধর গ্রামীণ পুলিশ বিষয়টির তদন্ত শুরু করে। জলন্ধরের সিনিয়র পুলিশ সুপার গুরমিত সিং ঘটনার খবর পেয়েই বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ভিডিওতে ভাট্টি দাবি জানায়, “পাঞ্জাবের জলন্ধরে গ্রেনেড নিক্ষেপের কারণ সে ইসলামকে গালি দেয়। যদি সে বেঁচে যায়, আমরা ফের এটা করব। পাঁচজন ব্যক্তি এটা করেছে। আমি আমার ভাই জিশান আখতার এবং হ্যাপি পাশিয়াকে ধন্যবাদ জানাই যারা আমাকে সাহায্য করেছে। যদি রক্তপাত না চাও, তাহলে ওই ইউটিউবারকে গ্রেফতার করতে হবে। নইলে এমন ধ্বংসযজ্ঞ চলবে যে তাদের সাত প্রজন্ম মনে রাখবে। আমি ভিডিওটি তৈরি করেছি যাতে ভবিষ্যতে কেউ ইসলামকে খারাপ কথা না বলে না দেয়।”
এদিকে, নবদীপ সান্ধু দাবি করে যে খ্যাতির জন্য এই আক্রমণ চালানো হয়। তিনি ইসলামের বিরধী মন্তব্যের কথা অস্বীকার করে।
এসএসপি গুরমিত সিং জানান, “এই দুজনের মধ্যে পুরনো শত্রুতা আছে। এসবের মাঝে, তাদের বিরোধ আরও তীব্র হয়। এবং ভিডিওটির সত্যতা এবং বস্তুটি কোথা থেকে রাখা হয়েছিল তা তদন্ত করা হচ্ছে। ইউটিউবারের জায়গায় কোনও বিস্ফোরণ ঘটেনি এবং ঘটনাটি সকালেই প্রকাশ্যে এসেছে।”







