সংবাদমাধ্যমের সামনে কুন্তল ঘোষ বহুবার দাবি করেছিলেন যে তাঁকে দিয়ে নাকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলানোর জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। শেষ অবধি সেই নিয়ে একটি চিঠি লিখে সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। উক্ত চিঠির প্রেক্ষিতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরার অনুমতি পেয়েছিল সিবিআই, ইডি। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ইডি, সিবিআইকে সেই অনুমতি দিয়েছিলেন। তবে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এহেন আবহে কুন্তল ঘোষের চিঠির বিষয়ে অভিষেককে এখনই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শীর্ষ আদালতে সংশ্লিষ্ট মামলার পরবর্তী শুনানি ২৪ এপ্রিল।
কুন্তলের দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্বন্ধে কথা বার করার প্রয়াসে সামিল। ঘটনাচক্রে অভিষেক ঠিক তার আগের দিনই শহিদ মিনারে দাঁড়িয়ে এই একই কথা দাবি করেছিলেন। পরেরদিন কুন্তলের গলাতেও সেই সুর শোনা যায়।
গত ২৯ মার্চ শহিদ মিনারের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, সারদা মামলায় হেফাজতে থাকার সময় মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে তাঁর নাম নিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঘটনাচক্রে, কুন্তলও তার পরে একই অভিযোগ করেন।







