কাঁথিতে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারে আত্মঘাতী এক গৃহবধূ। ঘটনাটি কাঁথি ১ব্লকের দাউদপুর অঞ্চলের। পুলিশ জানান, মৃতার নাম সিয়া সাহা বয়স ২২।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, মালদহের মিরদাদপুর থেকে উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতার দমদমে আসেন সিয়া। সিয়ার বাবা রণজিৎ সাহা পেশায় একজন গাড়িচালক।
কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে সিয়ার এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। সৌরভ নামে ওই যুবক পেশায় চাকুরীজীবী ছিলেন। সৌরভের বাড়ি কাঁথি ১ব্লকের দাউদপুরে।
বিষয়টি সর্ব প্রথম জানতে পারে সিয়ার মামা ও দিদা। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পেয়ে তারপরই এই পথে এগনোর পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁরা। সিয়ারা দুই বোন এবং সিয়াই বড়। বাড়ির অমত থাকতে গত সেপ্টেম্বর মাসে পালিয়ে বিয়ে করে সিয়া ও সৌরভ। তারপরই কলকাতা থেকে এসে ওঠে কাঁথির দাউদপুরে। কিছুদিন যেতে না যেতেই বাস্তবতা সামনে আসে। পরিবারের দাবি, লুকিয়ে লুকিয়ে ফোন করে যে শ্বশুর বাড়ির পরিস্থিতি মা কে জানতো। পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর ওপর অত্যাচার চালাত বলে অভিযোগ করে।
শনিবার থেকে সিয়ার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে অক্ষম হন তাঁর বোন-মা। তখন তারা সিয়ার স্বামী সৌরভকে ফোন করে। পরিবারের দাবি, সৌরভ তখন তাঁদের জানান, সিয়া গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন। কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে আছে বলে জানান তাঁরা। এরপর পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে মেয়ের দেহ দেখতে পান। অভিযোগ, দেহ হাসপাতালে ফেলে রেখে পলাতক পরিবারের সদস্যরা। কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। পাশাপাশি দেহটিকে ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।







