সেক্টর ২৭-এর এক হোটেলে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার উমেশের (৩৮) আত্মহত্যার ঘটনায় এবার তার মহিলা বন্ধুকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। উমেশের ভাইয়ের অভিযোগ, ওই মহিলা উমেশকে ব্ল্যাকমেইল করত, যার থেকে তদন্তের শুরু হয়। ঘটনাস্থলে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া না গেলেও, তবে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তারি সম্পন্ন হয়।
১০ এপ্রিল উমেশ ওই মহিলার সাথে এক হোটেলে গিয়েছিলেন। পুলিশ জানান, মহিলা বাথরুমে থাকাকালীন উমেশ আত্মহত্যা করেন। ফিরে এসে উমেশের নিথর দেখে মহিলা হোটেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন, যার থেকে আতঙ্ক ছড়ায়। জানা যায়, বিবাহিত উমেশ পারিবারিক সমস্যা ও বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় মানসিক হতাশাগ্রস্থ ছিলেন। নয়ডার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট রাকেশ সিং জানিয়েছেন, “আমরা সব দিক তদন্ত করছি। ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ গুরুতর, তবে প্রমাণ সাপেক্ষে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এ ঘটনা প্রযুক্তি খাতে কর্মরতদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞরা জানান, কর্মচাপ ও ব্যক্তিগত জীবনের সংঘাত মানসিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলে থাকে। পুলিশ মোবাইল রেকর্ড ও সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে মামলার গভীর ভাবে অনুসন্ধান করছে।






