শনিবার বিকেলে ভারত ও পাকিস্তান অপ্রত্যাশিতভাবে সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রী জানিয়েছিলেন, দুই দেশের ডিজিএমও-র মধ্যে আলোচনার পরই দুপুর ৩টে ৩৫ মিনিট থেকে গোলাগুলি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই শান্তি ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রক্তাক্ত হল সীমান্ত।
শনিবার রাতেই জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় শোনা যায় বিস্ফোরণের শব্দ। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন তোলেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তড়িঘড়ি জম্মু, উধমপুর-সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের একাধিক শহরে ব্ল্যাকআউট করা হয়। শুধু তাই নয়, সতর্কতা হিসেবে রাজস্থানের বারমেঢ়, জৈসলমের এবং পাঞ্জাবের ফিরোজপুর, পঠানকোট, মোগাতেও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
রাতের দিকে সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রী পাকিস্তানকে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘনের জন্য সরাসরি অভিযুক্ত করেন। তিনি বলেন, “গত কয়েক ঘণ্টা ধরে পাকিস্তান লাগাতার অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে চলেছে। ভারতীয় সেনারাও এর সমুচিত জবাব দিচ্ছে। এই ধরনের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এর সম্পূর্ণ দায় পাকিস্তানের।”
মিস্রী আরও বলেন, “আমরা আশা করি পাকিস্তান পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করবে এবং অবিলম্বে এই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। ভারতীয় সেনা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসন মোকাবিলায় প্রস্তুত।”







