বিয়ে বাড়ি মানেই আনন্দ, উৎসব, হইহই। কিন্তু সেই আনন্দের মাঝেই এক ভয়ঙ্কর পরিণতির সাক্ষী রইল পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর ১ নম্বর ব্লকের বাসুদেবপুর গ্রাম। আতসবাজির ফুলকি থেকে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই হয়ে গেল একটি সাধারণ পরিবারের একমাত্র আশ্রয় – মাটির বাড়ি।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাশের বাড়িতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সেই উপলক্ষে চলছিল আতসবাজি ফাটানো। হঠাৎই একটি বাজির ফুলকি উড়ে এসে পড়ে পাশের বাড়ি, মনোজ রায়ের ছাদে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িতে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে কাঁচামাটি ও খড়ের তৈরি বাড়িটি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর দেওয়া হয় দাসপুর থানাতেও।
মনোজ রায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সেই মাটির বাড়িতেই বসবাস করতেন। আগুনে পুড়ে যাওয়ার পর তাঁদের আর কোনও আশ্রয় নেই। সৌভাগ্যবশত, আগুন লাগার সময় বাড়িতে থাকা পাঁচজনের কেউ আহত হননি।
এক প্রতিবেশী বলেন, “মনোজবাবুর বাড়িতে একটি মাত্র ঘর ছিল। বিয়েবাড়ির বাজি থেকেই এই অগ্নিকাণ্ড। এখন ওঁদের মাথার ওপর ছাদটুকুও নেই।”
এই ঘটনা ফের একবার মনে করিয়ে দিল, খুশির মুহূর্তে সতর্কতার অভাব কত বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। আতসবাজির ব্যবহার নিয়ে সচেতনতা এবং নিয়মের কড়া প্রয়োগ না হলে এরকম দুর্ঘটনা বারবার ঘটতেই থাকবে।







