জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাম থেকে শুরু হয়েছে ‘তিরঙ্গা যাত্রা’। অপারেশন সিদূঁরের পর দেশের সেনার পাশে দাঁড়াতে দেশবাসী রাস্তায়। উত্তর থেকে দক্ষিণ—হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেশের জন্য হাঁটছেন সাধারণ মানুষ। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক অকাট্য বার্তা এই যাত্রা।
২২ এপ্রিল, পহেলগামের বৈসরণ ভ্যালিতে পাকিস্তানি জঙ্গিদের বর্বর হামলায় ২৬ জন নিরীহ পর্যটকের নৃশংস হত্যা গোটা দেশকে স্তম্ভিত করে দেয়। স্ত্রীর কোল থেকে স্বামীদের টেনে নিয়ে খুন করে তারা। এরপরই ভারতীয় সেনার জবাব—অপারেশন সিদূঁর। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ১০০-রও বেশি জঙ্গির মৃত্যু। এই অপারেশন কেবল প্রতিশোধ নয়, এক বার্তা—ভারতের কপালের সিদূঁর মুছলে, সে হাত পুড়ে ছাই হবে।
এই আবেগঘন সময়ে তিরঙ্গা যাত্রা হয়ে উঠেছে জাতীয়তাবাদের উৎসব। বিজেপি নেতৃত্ব, সাধারণ মানুষ সবাই মিলে রাস্তায় নামছেন। কিন্তু সেই আবেগের মাঝেই এক লজ্জাজনক ঘটনা সামনে আসে। স্বঘোষিত গুরু বালমুকুন্দাচার্যকে দেখা যায়, তিরঙ্গা যাত্রায় অংশ নিয়ে জাতীয় পতাকা দিয়ে নিজের ঘাম মুছতে। এমন পবিত্র প্রতীকের এমন অবমাননা শুধু নিন্দনীয় নয়, দেশদ্রোহিতার শামিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে, অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।
যখন গোটা দেশ সেনার পাশে দাঁড়িয়েছে, তখন এমন আচরণ সরাসরি অপমান দেশের, অপমান শহিদদের। তিরঙ্গা কেবল কাপড় নয়—এটা আত্মত্যাগ, আত্মগর্ব ও ভারতের আত্মার প্রতীক। যে এটাকে অপমান করে, সে দেশের মাটিতেই থাকার যোগ্য নয়।







