উত্তরবঙ্গের তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ভারতীয় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল এক বৃহৎ পরিসরের সমন্বিত ফিল্ড এক্সারসাইজ — ‘তিস্তা প্রহার’। কঠিন নদীবিধৌত ভূপ্রকৃতি এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির অনুকরণে পরিচালিত এই অনুশীলনে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন শাখা ও পরিষেবার মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, প্রতিক্রিয়া এবং কৌশলগত দক্ষতার নিখুঁত পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়।
এই মহড়ায় অংশ নেয় পদাতিক বাহিনী, কামান বাহিনী, সাঁজোয়া ও যান্ত্রিক ইউনিট, প্যারা স্পেশাল ফোর্স, সেনা বিমান শাখা, ইঞ্জিনিয়ার ও সিগন্যাল কর্পস। সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণের প্রতিফলন হিসেবে ব্যবহার করা হয় নবনিযুক্ত অত্যাধুনিক অস্ত্র, সামরিক প্ল্যাটফর্ম এবং উন্নত প্রযুক্তি, যার কার্যকারিতা ও সক্ষমতা যাচাই করা হয় অনুশীলনের মাধ্যমে।
‘তিস্তা প্রহার’-এর মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধক্ষেত্রে যৌথতা, দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা এবং বৈচিত্র্যময় পরিবেশে কার্যকর অপারেশন পরিচালনার দক্ষতা তুলে ধরা। বাস্তব পরিস্থিতির অনুকরণে পরিচালিত রণকৌশল, অভিযোজনমূলক কৌশল এবং কন্টিনজেন্সি প্ল্যানিং-এর মাধ্যমে সেনাবাহিনী তাদের প্রস্তুতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, “তিস্তা প্রহার শুধুমাত্র একটি অনুশীলন নয়, বরং এটি যুদ্ধক্ষেত্রে যুগোপযোগী প্রযুক্তি, সমন্বিত কমান্ড ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতির প্রতীক।” সেনাবাহিনীর এই অনুশীলন আবারও প্রমাণ করে, যে দেশকে রক্ষা করতে তারা সর্বদা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।







