লোকদেখানো প্রচার চান না তিনি, সাদামাটা জন্মদিন পালন অরিজিতের। কারো কাছে তিনি ব্যাথার মলম, কারোর কাছে আবার মন ভালো করার সঙ্গী তিনি! আবেগের আর এক নাম অরিজিৎ সিং!
জন্মদিনেও কোনও বিশেষত্ব চায় না ছেলে, তাই অরিজিতের জন্মদিনে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁর বাবা সুরেন্দ্র সিং। জন্মদিনে আড়ম্বর বরাবরই অপছন্দ থাকার কারণে, কোনোরকম পার্টি, এমনকি কেক কাটা পর্যন্ত তাঁর অভিধানে নেই! তাই, সোমু (অরিজিতের ডাকনাম)-র জন্মদিনে তাঁর বাবার একমাত্র লক্ষ্য এলাকার কোনও দুঃস্থ মানুষ যেন আজ অভুক্ত না থাকে। জিয়াগঞ্জে তার নিজের রেস্তোরাঁ আছে এবং এদিন তাঁর রেস্তোরাঁর দরজা খোলা ছিল সবার জন্য। এই প্রসঙ্গে অরিজিতের বাবা বলেন, ‘বহু মানুষের আর্শীবাদ নিয়েই ছেলে আজ এই জায়গায় পৌঁছেছে। এদিন দুঃস্থদের জন্য ‘হেঁসেলের’ দরজা খোলা থাকছে।’ দুঃস্থের সেবা করেই ছেলের জন্মদিনটা বিশেষ করে তুলতে চান অরিজিতের বাবা।
মাত্র আঠেরো বছর বয়েসেই ফেম গুরুকুল-এর মাধ্য়মে গোটা দেশের মন ছুঁয়েছিলেন অরিজিৎ। এরপর লম্বা সময় মায়ানগরীতে স্ট্রাগল করেছেন। ‘আশিকী ২’ ছবির ‘তুমি হি হো’ গান অরিজিতের ভাগ্য বদলে দেয়। আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছেও মাটিতে পা দিয়ে চলার জাদুমন্ত্রে দীক্ষিত গায়ক। তাই তো আজ কোটি কোটি মানুষের নয়ণের মণি তিনি।
অরিজিতের তরফে কোনও পার্টির আয়োজন না থাকলেও পিছিয়ে ছিলেন না তাঁর ভক্তরা। বহরমপুর গোরাবাজারের এক ক্লাবের পক্ষ থেকে পালিত হয়েছে অরিজিতের জন্মদিন। অরিজিৎ সিংয়ের চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ধৃতি ফাউনডেশনের তরফেও সন্ধ্যায় তাঁর জন্মদিনের অনুষ্ঠান করা হয়েছে, তবে গায়কের অনুরোধে তাও ছিল আড়ম্বরহীন!







