পরিবহন ধর্মঘট ঘিরে রাজ্যে চরম অচলাবস্থার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে টানা তিন দিনের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল বাস মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-সহ একাধিক বাস মালিক সংগঠন। পুলিশের জুলুম ও অহেতুক জরিমানার প্রতিবাদেই এই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসু।
সোমবার বাস মালিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে রাজ্য সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও কনফারেন্স বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশকর্তাও। বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মঘট প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে বিকল্প সমাধানের পথ খোঁজা। তবে বৈঠকের পরেই স্পষ্ট হয়ে যায়—বাস মালিকদের মন গলানো যায়নি। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশের লাগাতার হয়রানি ও বেআইনি জরিমানা চালু থাকলে তাঁরা পরিষেবা চালু রাখতে পারবেন না।
প্রদীপ নারায়ণ বসুর বক্তব্য, “গাড়ি চালাতে গেলেই পুলিশ জরিমানা করছে, এমনকি চালকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা বাধ্য হয়েই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
এই ধর্মঘটে সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সরকারি বাস পরিষেবা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলেও, তা পর্যাপ্ত হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ফের আলোচনার চেষ্টা করা হবে কি না, এখন সেটাই দেখার। আপাতত ধর্মঘটের জেরে রাজ্যের পরিবহন পরিষেবায় বড়সড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকছে।







