বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল দক্ষিণ আফ্রিকা। মেঘলা লন্ডনে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্তটা সাহসী হলেও সঠিক বলে প্রমাণ করলেন টেম্বা বাভুমা। লর্ডসের সবুজ উইকেটে, ডিউক বলের সুইং কাজে লাগিয়ে ৫৬.৪ ওভারের মধ্যেই ২১২ রানে অলআউট করে দিলেন অস্ট্রেলিয়াকে। নায়ক কাগিসো রাবাডা—দর্শনীয় গতি ও লাইন-লেন্থে বিভ্রান্ত করে পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন।
প্রথম সেশনে দক্ষিণ আফ্রিকার পেস ত্রয়ী রাবাডা, জানসেন ও এনগিডি দুর্দান্ত বল করলেন। বিশেষ করে রাবাডার শুরুর জোড়া আঘাতে প্যাভিলিয়নে ফেরেন উসমান খোয়াজা ও ক্যামেরন গ্রিন। দু’টি দুরন্ত ক্যাচ ধরেন বেডিংহ্যাম ও মার্করাম। এরপর লাবুশেন-স্মিথ জুটি স্থিতি আনার চেষ্টা করলেও জানসেনের বাউন্সারে ভাঙে সেই স্বপ্ন। মাথার কাছাকাছি বল পেয়ে বিচলিত লাবুশেন ফেরেন মাত্র ১৭ রানে।
অস্ট্রেলিয়ার ভরসা ছিলেন স্মিথ ও ওয়েবস্টার। স্মিথের ব্যাট থেকে আসে ৬৬ রান, আবার ওয়েবস্টার করলেন টেস্ট কেরিয়ারের সর্বোচ্চ ৭২ রান। তবে তা টিকল না। শেষ পাঁচ উইকেট পড়ল মাত্র ২৩ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যাচিংও ছিল দৃষ্টিনন্দন। স্টাম্পের পিছনে কাইল ভেরেইনি ও স্লিপে জানসেন দুর্দান্ত কিছু ক্যাচ নেন। রাবাডার সঙ্গে জানসেন ৩টি ও মহারাজ-মার্করাম একটি করে উইকেট তুলে নেন।
চা-বিরতির পর ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার পেসাররাও জবাব দিলেন। ২৭ রানের মধ্যেই হারাল তিন উইকেট। দিনের শেষ ভাগে বাভুমা ও স্টাবস উইকেট আঁকড়ে রেখে দিলেন দলের আশা। দ্বিতীয় দিন হবে আসল পরীক্ষা—পেস বনাম ধৈর্যের টানটান লড়াইয়ে।







