ব্যান পিরিয়ড কাটিয়ে সমুদ্রে পাড়ি দিয়েই ঝড় তুলেছে ইলিশ। ১৫ জুন ভোরে মৎস্যজীবীরা জাল ফেলতেই উঠল রুপোলি ফসল—প্রায় ১৫ টন ইলিশ। ফলে মোহনার ঘাটে ফিরেই উৎসবের মেজাজ ট্রলার মালিক ও মৎস্যজীবীদের মুখে। দাম উঠেছে কেজিপ্রতি ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। ওজনের রেঞ্জও যথেষ্ট আশাজাগানিয়া—৫০০ গ্রাম থেকে শুরু করে দেড় কেজি পর্যন্ত।
টানা ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে বঙ্গোপসাগরে ফের মৎস্য শিকার শুরু হতেই যে এমন মোটা চালান উঠবে, তা আগে থেকে আন্দাজ করতে পারেননি অনেকেই। মৎস্যজীবীদের দাবি, বছরের শুরুতেই এমন সাফল্য গত কয়েক বছরেও দেখা যায়নি। ট্রলার মালিকদের কথায়, ‘‘প্রথম লটে এই ফলন আমাদের নতুন মরসুমে ভরসা জোগাল।’’
তবে চিন্তা একটাই—প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি সতর্কতা না থাকলেও, মাঝ সমুদ্রে আবহাওয়ার অবস্থা সুবিধের নয় বলেই জানাচ্ছেন বহু মৎস্যজীবী। ঝোড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে একের পর এক ট্রলারকে ফিরে আসতে হচ্ছে উপকূলে। ফলে আশঙ্কার সুরও থেকেই যাচ্ছে।
তবু প্রথম ধাপে এই পরিমাণ ইলিশ উঠে আসায় আশাবাদী মৎস্যজীবী সংগঠন। তাদের মতে, এ বছর ইলিশের জোগান বিগত কয়েক বছরের তুলনায় অনেক ভালো হবে। তবে বাজারে কতটা পরিমাণে ইলিশ পৌঁছবে, এবং সাধারণ বাঙালির পাতেও সেই ইলিশ উঠবে কিনা, তা এখনও সময় বলবে।







