ঘাটাল বাঁচবে কি? বন্যার করাল গ্রাস থেকে মুক্তি মিলবে কি? এই প্রশ্নেই প্রহর গুনছে ঘাটালবাসী।
আজ সেই প্রত্যাশার দিশা নিয়ে ঘাটাল মহকুমাশাসকের দপ্তরে অনুষ্ঠিত হল এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।
উপস্থিত ছিলেন সেচমন্ত্রী মানস রঞ্জন ভুঁইয়া, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান ব্লক কমিটি ও জেলা কমিটির প্রতিনিধিরা।
মন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বাজেটে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জন্য ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। প্রাথমিকভাবে ৫০০ কোটি টাকার কাজ শুরু হচ্ছে।
২০২৫-২৬ সালের মধ্যে পুরো পরিকল্পনা রূপায়ণের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
ঘাটালের চিরকালীন সমস্যা—বর্ষা মানেই জলমগ্ন শহর। নৌকোই তখন একমাত্র ভরসা।
তবে এই মাস্টারপ্ল্যান সেই ইতিহাস বদলাবে বলেই আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁর অভিযোগ, ঘাটাল প্রকল্পের জন্য বহুবার আবেদন করলেও কেন্দ্র এক টাকাও দেয়নি। বাধ্য হয়েই রাজ্য নিজস্ব অর্থে প্রকল্প এগিয়ে নিচ্ছে।
মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া আরও জানান, আগের জমি ও বাড়ি সংক্রান্ত জটিলতাগুলি মাথায় রেখেই নতুন প্রেক্ষাপটে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি বলেন, “শুধু সরকার নয়, ঘাটালের মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে। এই লড়াই ঘাটালকে বাঁচানোর লড়াই।”
এককথায়, নতুন আশা, নতুন উদ্যোগ। বন্যাপীড়িত ঘাটালের বুকে এবার স্বস্তির ছায়া নামতে চলেছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান সফল হলে বদলে যাবে গোটা অঞ্চলের ভাগ্য।







