কসবা ল’ কলেজে ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে শোরগোল। গোটা ঘটনায় যখন উত্তাল রাজ্যরাজনীতি, ঠিক তখনই কড়া বার্তায় সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা তুলে ধরলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে কুণাল ঘোষ লেখেন— “কসবার ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এসব জানোয়ারকে মেরে পিঠের চামড়া গুটিয়ে দেওয়া উচিত। পুলিশ যেন সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়।” এক কথায়, তৃণমূলের তরফে এমন স্পষ্ট এবং ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া বিরল।
শুধু বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ নয়, নিজের দলকেও সতর্ক করেছেন কুণাল। তিনি সাফ জানিয়েছেন, কেউ কিছুদিনের জন্য দলের ঘনিষ্ঠ হয়ে অপরাধে জড়ালে, তার দায় এড়ানো যাবে না। কুণালের বক্তব্য, “তৃণমূল এসব বাঁদরামি বরদাস্ত করবে না। যে নেতারা এদের আশপাশে থেকেছেন, তাঁরাও সতর্ক থাকুন।” অর্থাৎ শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার প্রশ্নে কোনও ছাড় নয়।
বিরোধীদের উদ্দেশে কুণালের বার্তা— “একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার সুযোগ নিয়ে যদি কেউ রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে আসে, তারও জবাব মিলবে।” পাশাপাশি, আক্রান্ত তরুণীর প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে তিনি লেখেন— “একজন নাগরিক হিসেবে আমি তার এবং তার পরিবারের প্রতি দুঃখপ্রকাশ করছি।”
এই ঘটনায় দলীয় অবস্থানের পাশাপাশি কুণাল ঘোষ যে সমাজের প্রতি রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেছেন, তা নতুন বার্তা দেয়। এখন দেখার, তাঁর এই বার্তা শুধু শব্দে সীমাবদ্ধ থাকে, না কি তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরেও বাস্তব প্রতিফলন ঘটে।







