আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে এয়ার ইন্ডিয়া। দিল্লি থেকে ভিয়েনাগামী একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট মাঝ আকাশে আচমকা ৯০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়াল যাত্রীদের মধ্যে। উড়ানের শুরুতেই ঘটে এই ভয়াবহ ঘটনা। উঠল বড় প্রশ্ন—এত বার বিমান বিভ্রাটের পরও কি পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে জাতীয় বিমান সংস্থা?
সূত্রের খবর, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সোমবার রাত ২:৫৬ নাগাত ছেড়ে যায় এআই-১৮৭ নম্বর ফ্লাইটটি, একটি বোয়িং ৭৭৭। গন্তব্য ছিল অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রায় ৯ ঘণ্টা ৮ মিনিট পরে সেখানেই অবতরণও করে বিমানটি। কিন্তু টেক-অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটে বিপত্তি—হঠাৎ করে প্রায় ৯০০ ফুট নিচে নেমে যায় বিমানটি। শুরু হয় ভয়াবহ নড়াচড়া। ককপিটে একাধিক সতর্কবার্তা—‘স্টল’ ও ‘গ্রাউন্ড প্রক্সিমিটি’ অ্যালার্ট। শোনা যায় ‘ডোন’ট সিঙ্ক’ বার্তা।
পাইলটদের তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও দক্ষতায় শেষমেশ সামাল দেওয়া যায় পরিস্থিতি। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও গন্তব্যে নিরাপদে পৌঁছায় ফ্লাইট। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—পুনরাবৃত্তি হওয়া এই সমস্যাগুলি কেন আগেভাগে ঠেকানো যাচ্ছে না?
এয়ার ইন্ডিয়া সূত্রে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে রেহাই পাওয়ার পরেই বিষয়টি জানানো হয় ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশনকে। ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার বিশ্লেষণের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করেছে বিমান নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ।
এই ঘটনার পর আপাতত সংশ্লিষ্ট দুই পাইলটকে ফ্লাইট ডিউটি থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়ার মুখপাত্র। তদন্ত শেষ না-হওয়া পর্যন্ত তাঁরা উড়ানে থাকবেন না।







