ফরিদাবাদের বল্লভগড়ে জিমে শরীরচর্চার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ৩৭ বছরের যুবক পঙ্কজ শর্মার। জানা গেছে, সেক্টর ৯-এর এক জিমে ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন তিনি। বন্ধুর সঙ্গে ব্যায়াম করতে গিয়ে হঠাৎ বুকে তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করেন পঙ্কজ। সঙ্গে সঙ্গে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। জিমে উপস্থিত বন্ধুসহ অন্যান্যরা তৎপর হয়ে তাঁকে সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় হাসপাতালে কর্মরত এক চিকিৎসককে জিমে নিয়ে আসা হলে, পঙ্কজকে মৃত ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পঙ্কজের ওজন ছিল প্রায় ১৭০ কেজি। প্রায় চার মাস ধরে নিয়মিত জিমে যাচ্ছিলেন তিনি। ওই দিন সকালে ব্ল্যাক কফি খেয়ে জিমে যান এবং শরীরচর্চা শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই অসুস্থ বোধ করেন তিনি। একবার উঠে বমি করে আবার জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান পঙ্কজ। জানা গেছে, তিনি কোনো ধরনের স্টেরয়েড গ্রহণ করতেন না। চার বছর আগে বিয়ে হয়েছিল পঙ্কজের, তাঁর আড়াই বছরের এক সন্তান রয়েছে। আকস্মিক এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে পরিবারে।
বর্তমান সময় দাঁড়িয়ে মানুষ শরীর বিষয়ে বেশ সচেতন। যতটা ক্যালোরি শরীরের জন্য উপযোগী ঠিক ততটাই খাবার ডায়েট অনুযায়ী বেশিরভাগ মানুষ খেয়ে থাকেন আর তার সাথে থাকে শরীরচর্চা। ইতিহাসের পাতা ওল্টালেও এর নজির পাওয়া যায় বহু জায়গায়। কিন্তু এরই মাঝে যেসকল খাদ্যরসিক মানুষগুলি রয়েছে, সমস্যায় পড়ে যায় তারা। খাদ্যের প্রতি বিশেষ প্রীতি থাকার কারণে বাধা নিষেধ না মেনে মন যা চায় তাই পেটে যায়। কিন্তু এসবের মাঝে দেহের যে বাড়তি মেদ জমে তার হদিশ পরে যখন পূর্বের তুলনায় দেহের ওজন অনেকখানি বেড়ে যায় বা ওভার ওয়েটের তকমা পরে। এরপরেই শুরু হয় জোর কদমে ডায়েট ও শরীরচর্চা। কম সময়ে অনেকখানি ওজন কমাতে গিয়েই বাঁধে সমস্যা। তাই শুরু থেকেই শরীরের যত্ন নিতে হবে। কথায় আছে ‘স্বাস্থ্যই সম্পদ’, তাই স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে হবে সবার আগে।







