২০২১ সালের ২ মে’র সেই বিভীষিকাময় রাত আবার ফিরল শিরোনামে। বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের দিন, কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের নৃশংস মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে চার বছর পর সিবিআই পেশ করল চার্জশিট—আর তাতে নাম তৃণমূলের তিন হেভিওয়েট নেতার!
চার্জশিটে নাম রয়েছে:
🔸 বেলেঘাটার বিধায়ক পরেশ পাল
🔸 কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ ও ৫৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর স্বপন সমাদ্দার
🔸 ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পাপিয়া ঘোষ
📄 যদিও এই তিন নেতা-নেত্রীর দাবি, এখনও হাতে পাননি কোনও অফিসিয়াল নথি। সংবাদমাধ্যমে খবর দেখেই তাঁদের জানা বিষয়টি। ইতিমধ্যেই তাঁরা ব্যক্তিগত স্তরে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছেন, পাশাপাশি দল কী নির্দেশ দেয়, তার অপেক্ষাতেও রয়েছেন তাঁরা।
তবে প্রশ্ন উঠছে—
👉 রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?
👉 নাকি নির্বাচনের আগে বিজেপির টার্গেট ‘তৃণমূলের উত্তর কলকাতা ঘাঁটি’?
তৃণমূলের অন্দরমহল বলছে, ২০২৬-র ভোটের আগে ‘চাপ’ বাড়াতে চাইছে বিজেপি। কারণ, যেদিন খুনের ঘটনা ঘটে, সেদিন ভোটগণনার কাজে নেতাজি ইন্ডোরে ছিলেন পরেশ, স্বপন ও পাপিয়া। ফলে ঘটনাস্থলে না থেকেও কীভাবে তাঁদের নাম চার্জশিটে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
🎙️ স্বপন সমাদ্দার বলছেন,
“নথিপত্র হাতে পেলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। দল যা বলবে, সেটাই আমাদের পথনির্দেশ।”
🤐 পাপিয়া ঘোষ মুখে কুলুপ এঁটেছেন।
📉 পরেশ পাল অসুস্থ, সক্রিয় রাজনীতির বাইরে, তবুও নাম চার্জশিটে!
🎯 তৃণমূল সূত্রের স্পষ্ট বার্তা: এই চার্জশিটের জবাব দল দেবে আইনেও, রাজনীতিতেও।
📌 কাঁকুড়গাছির ‘গণপিটুনি’ কি এখন রাজনৈতিক হাতিয়ার?
📌 তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ভাঙতেই কি নিশানায় একঝাঁক নেতা?
📌 আর তৃণমূল? পালটা চালের অপেক্ষায়।
📍এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তর কলকাতার রাজনৈতিক ময়দান যে ফের সরগরম, তা বলাই বাহুল্য।
⏳ অপেক্ষা এখন একটাই—দল কী বার্তা দেয়, আর আদালত কী বলে!







