২১ জুলাই, কলকাতার ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবস উপলক্ষে যখন জনসমুদ্র, তখন ভিড়ের মধ্যেই ধরা পড়ল এক অন্য ছবি। ঝাড়গ্রামের মন্ত্রী ও আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধি বীরবাহা হাঁসদা, নিজের জেলা থেকে আসা সহকর্মীদের সঙ্গে মাটিতে বসে সাদামাটা খাবার খাচ্ছেন। চেহারায় নেই প্রটোকলের গম্ভীরতা, নেই কোনও আলাদা আসন—আছে শুধু দলীয় কর্মীদের প্রতি ভালোবাসা ও একাত্মতা।
এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই প্রশংসার বন্যা। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া — এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের আসল মুখ, যেখানে নেতা ও কর্মী আলাদা নয়, একই শিকড়ে বাঁধা।
রাজনীতির ময়দানে যেখানে দূরত্ব, ক্ষমতা ও অবস্থান প্রাধান্য পায়, সেখানে বীরবাহা হাঁসদার এই ব্যবহার অনেকের কাছেই এক ব্যতিক্রমী বার্তা।
রাজ্যের প্রথম আদিবাসী মহিলা মন্ত্রী হিসেবে তাঁর অবস্থান শুধু প্রশাসনিক নয়, সামাজিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এবং শহিদ দিবসের দিনে তাঁর এই ভূমিকা যেন দলীয় ঐক্যের প্রতিচ্ছবি।
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরমহলে এই বার্তা স্পষ্ট—দল কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়, একটি পরিবার। যেখানে সবাই সমান, এবং সবাই একে অপরের জন্য।







