নতুন শিবপুর গ্রামে গঙ্গার বুক চিরে ভেসে উঠল কুমির! শনিবার সকালেই নদীর পাড়ে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম দেখতে পান জলচর এই হিংস্র প্রাণীকে। সঙ্গে সঙ্গেই ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য। আতঙ্কে মাছ ধরতে আর নদীতে নামতে পারছেন না এলাকার বহু মৎস্যজীবী।
গঙ্গা ভাঙনের জেরে এমনিতেই ঘরছাড়া বহু পরিবার। তার উপর এই নতুন সঙ্কট যেন দুশ্চিন্তার পরিমাণ আরও বাড়িয়েছে। নদীর পাড়ঘেঁষে যাঁরা বাস করেন, তাঁরা তড়িঘড়ি অন্যত্র সরে যাওয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, “সকালে নদীর ধারে হঠাৎ দেখলাম কুমিরটা ভেসে উঠেছে। সঙ্গে সঙ্গে সবাই চিৎকার করে উঠল। এরপর আর কেউ নদীর ধারে যাচ্ছে না। গঙ্গায় নামা এখন জীবনের ঝুঁকি।”
ঘটনার খবর পৌঁছতেই দ্রুত এলাকায় পৌঁছয় বনদপ্তরের আধিকারিকরা।
বনদপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে—
“প্রাথমিকভাবে এলাকাবাসী ও মৎস্যজীবীদের সচেতন করা হয়েছে। গঙ্গায় আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যতক্ষণ না কুমির ধরা পড়ছে বা নদী ছেড়ে চলে যাচ্ছে, ততক্ষণ কেউ গঙ্গায় নামতে পারবেন না। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এলাকায় বনদপ্তরের কর্মীদের মোতায়েন রাখা হয়েছে।”
সামশেরগঞ্জের এই ঘটনার জেরে নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।







