ফের শিরোনামে আর জি কর ! আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পাঠরত এক ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু । মালদহের বাড়িতে থাকাকালীনই চতুর্থ বর্ষের ওই ছাত্রীর মৃত্যু হয় । ওষুধের ওভার ডোজের ফলেই ওই ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান । তবে এটি আত্মহত্যা নাকি খুন ! সেবিষয়ে এখনও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। পাশাপাশি কোনো প্রণয়ঘটিত কারণ রয়েছে কিনা , সেবিষয়েও খতিয়ে দেখছে পুলিশ ।
জানা গিয়েছে, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থবর্ষের ওই ছাত্রীর নাম অনিন্দিতা সোরেন। মালদহ মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রের সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল মৃতার । উল্লেখ্য , অনিন্দিতা কিছুদিন আগে যখন দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বাড়িতে গিয়েছিলেন তখনও তাকে মনমরা লাগছিল বলে খবর। এবার তিনি মালদহে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে । কিন্তু অনিন্দিতার পরিবারের দাবি , তার মালদহে যাওয়ার বিষয়টি পরিবার জানত না । এরপরই পরিবারের কাছে আসে একটি ফোন । যাতে বলা হয় অনিন্দিতা অসুস্থ এবং তাকে ভর্তি করা হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ।
খবর পেয়েই পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি ছুটে যায়। শুক্রবার রাতে অবস্থার অবনতি হলে , তার কলেজ অর্থাৎ আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ রেফার করা হয় চতুর্থ বর্ষের ছাত্রীকে। কিন্তু মাঝরাস্তায় , পরিস্থিতি আরো খারাপ বুঝে অনিন্দিতাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে । তারপরেও শেষমেষ আর প্রাণরক্ষা হলো না। শনিবার সকালে অনিন্দিতার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় , পরিবার খুনের অভিযোগ তুলেছে অনিন্দিতার প্রেমিকের দিকে। তবে ঘটনার পর থেকেই কোনো খোঁজ নেই অভিযুক্ত প্রেমিকের ।
উল্লেখ্য , সামনে এসেছে মৃতের মায়ের এক চাঞ্চল্যকর বক্তব্য । যেখানে তার অভিযোগ তাদের মেয়ে গর্ভবতী ছিল । এই কারণেই সে রেজিস্ট্রির কথা বলেছিল প্রেমিককে। যা নিয়ে ঝামেলাও হয় দুজনের। আর তারপর থেকেই মৃতা ছাত্রীর উপর তার প্রেমিক মানসিকভাবে অত্যাচার করতেন বলে পরিবার অভিযোগ করেছে । মৃতার মায়ের দাবী , জোর করে তার মেয়েকে নাকি গর্ভপাতও করানো হয় ।







