বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনের পথে ভয়াবহ হামলার শিকার হন মালদহ উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বর্তমানে দু’জনেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যদিও খগেনবাবুর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলা হচ্ছে, তবু তাঁর শারীরিক অস্বস্তি কাটেনি। আপাতত তিনি শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, চোখের নীচের একটি হাড় ভেঙে গিয়েছে, যার জন্য অস্ত্রোপচার জরুরি হয়ে পড়েছে।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, “ওনার চোটটা বেশ গুরুতর। চোখের নীচের অংশের হাড়ে ফ্র্যাকচার হয়েছে, তাই ডাক্তাররা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছেন।” এই অস্ত্রোপচার শিলিগুড়িতেই হবে, নাকি দিল্লির এইমসে নিয়ে যাওয়া হবে, তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে মঙ্গলবার। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল খগেনবাবুর একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন বলেই জানা গিয়েছে।
দলীয় সূত্রে খবর, বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বও হাসপাতালে গিয়ে খগেনবাবুর চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রয়োজনে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে স্থানান্তর করা হতে পারে।
অন্যদিকে, আহত বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের শারীরিক উন্নতি হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। সোমবার রাতেই শুভেন্দু অধিকারী জানান, “শঙ্কর ঘোষ এখন বিপদমুক্ত।” মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর এমআরআই হওয়ার কথা, এরপরই চিকিৎসকেরা তাঁকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
এদিকে, নাগরাকাটা-কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। বিজেপি ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে এবং তৃণমূলের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে। যদিও ঘটনার একদিন কেটে গেলেও অভিযুক্তরা এখনও অধরাই।







