ইতিমধ্যেই রঞ্জি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা পাকা করেছে বাংলা। তবে নিয়মরক্ষার ম্যাচে হরিয়ানার বিরুদ্ধে বাংলার ব্যাটিং পারফরম্যান্স যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াল। একমাত্র সুদীপ চট্টোপাধ্যায় ছাড়া বাকিরা ব্যর্থ।
লাহলির মাঠ বোলারদের সহায়ক হওয়ায় টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় হরিয়ানা। শুরুটা অবশ্য খুব একটা খারাপ হয়নি বাংলার। অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬১ রান। ধীর গতিতে হলেও প্রথম দু’ঘণ্টা নির্বিঘ্নে কাটান তাঁরা।
কিন্তু তন্ময় বলোদার বলে ২৬ রানে অভিমন্যু আউট হতেই ভেঙে পড়ে বাংলার ব্যাটিং লাইন-আপ। পরপর উইকেট হারায় দল। সুদীপ ঘরামি (১), অনুষ্টুপ মজুমদার (১৯), শাহবাজ় আহমেদ (১৫), সুমন্ত গুপ্ত (৯) প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন। আগের ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৫০০-র বেশি রান করা ব্যাটারদের মধ্যে একমাত্র সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ই দৃঢ়তা দেখান।
ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন সুদীপ। দিনের শেষে ১৭৭ বল খেলে ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। মাত্র পাঁচটি চার মারলেও দৌড়ে রানের উপর জোর দিয়েছেন স্পষ্ট। তাঁর সঙ্গে অপরাজিত রয়েছেন শাকির হাবিব গান্ধী (১)। আগের ম্যাচে এই জুটিই বাংলাকে এগিয়ে দিয়েছিল। এ বারও সেই ভরসাতেই তাকিয়ে দল।
প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলার রান ৫ উইকেটে ১৬৮। হরিয়ানার হয়ে তন্ময় বলোদা নেন তিনটি উইকেট।
অন্য দিকে, মুম্বই বনাম দিল্লির রঞ্জি ম্যাচে দাপট দেখাল দূষণ। বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্সে মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার মাঠের পাশে একটি নির্মীয়মাণ বহুতল থেকেই দূষণ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। তৃতীয় সেশনে সরফরাজ় খান, মুশির খান ও হিমাংশু সিংহকে মাস্ক পরে খেলতে দেখা যায়। সাজঘরেও মাস্ক পরেন মুম্বইয়ের সাপোর্ট স্টাফরা। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় সময়ের আগেই প্রথম দিনের খেলা বন্ধ করে দিতে হয়।
মুম্বই ক্রিকেট সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি ইতিমধ্যেই লিখিত ভাবে মহারাষ্ট্র দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডকে জানানো হয়েছে। শুধু মুম্বই নয়, দিল্লির ক্রিকেটারদেরও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হয়েছে। শুক্রবার থেকে মাঠে অতিরিক্ত মাস্ক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। ঘটনায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে মুম্বই ক্রিকেট সংস্থা, বিষয়টি হালকা ভাবে নেওয়া হচ্ছে না বলেই জানানো হয়েছে।







