২৪ শে নির্বাচনে আশা ব্যঞ্জন ফল হয়নি মোদি সরকারের। তাই জন্য নরেন্দ্র মোদিকে সরকার গঠন করতে হয়েছে নিতিশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নাইডু সমর্থনে জোট করে। তাই জন্য এবার বঙ্গে বিশেষ নজর নরেন্দ্র মোদি সরকারের। এছাড়াও পূর্বের রাজ্যগুলোতে পদ্ম ফুল ফোটাতে পারিনি লোকসভা নির্বাচনে। এমনকি বাজেটে উল্লেখ- জনক স্থান পেয়েছে মোদি সরকারের শরীকি রাজ্য বিহার।
২৪ এর নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাকে বঞ্চনা করার অভিযোগের বারংবার সড়ক হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার প্রভাব কষ্ট বোঝা গেছে লোকসভা ভোটের ফলে। তাই এবার নড়ে চড়ে বসেছে গেরুয়া শিবির। তারই আচঁ পাওয়া গেল সপ্তম বাজেট অধিবেশনে। তবে এবারের বাজেটে দরাজ হাতে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে মোদি সরকারের শরীক নিতিশের রাজ্যের জন্য।
আঞ্চলিক শিল্পীদের তৈরি প্রোডাক্ট বিদেশে বিক্রি করতে ই কমার্স এক্সপোর্ট হাব তৈরি করা হবে পিপিপি মোডে। এক ছাদের নিচে হবে পণ্য বিক্রি ও রফতানি। এছাড়া একটি বিশেষ স্কিমের মাধ্যমে আগামী ৫ বছরে ৫০০টি বড়ো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পাবেন ১ কোটি পড়ুয়া। এক বছর ধরে নিজের হাতে কাজ শিখবে তারা। প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা ও এককালীন ৬০০০ টাকা দেওয়া হবে। সংস্থাগুলি ট্রেনিং-এর সমস্ত খরচা সিএসআর ফান্ড থেকে করার জন্য বাজেটে বলা হয়েছে।
মোদি সরকারের শরীকি রাজ্য বিহারে সড়কের জন্য ধার্য করা হয়েছে কমপক্ষে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও উড়িষ্যায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে বাজেটে। অন্ধ্রপ্রদেশের উন্নয়নের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।
পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য বিশেষ নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই কারণে মহিলাদের বিকাশের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রয়েছে ৩ লক্ষ কোটি। উচ্চশিক্ষায় ৩ শতাংশ বার্ষিক সুদের হারে শিক্ষার্থীদের ১০ লক্ষ টাকার ঋণ দেওয়ার বিষয় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। এমন কি কৃষকদের উন্নয়নের কথা ভেবেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই জন্য ১ কোটি কৃষককে আনা হবে জৈব কৃষির আওতায়। এই বছর ১.৫২ লক্ষ কোটি বরাদ্দ করছি কৃষিক্ষেত্রে।







