কেন্দ্রীয় সরকারের একটি গুরত্বপূর্ণ সংযোজন হলো নতুন করে জনগণনা শুরু হতে চলেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর পর শুরু হতে চলেছে জনগণনা। ১৮৭২ সালের নিয়মাবলী অনুযায়ী প্রতি দশ বছর অন্তর হয় আদমাশুমারি কিন্তু এবারে হয়ে গিয়েছে ১৬ বছরের দীর্ঘ বিরতি। এই বিরতির পরে ফের শুরু হতে চলেছে জনগণনা। ২০২১ সালে মহামারি কালে আদমসুমারি পিছিয়ে পড়ে। ২০২৩ সালেও এই প্রক্রিয়া করতে পারে নি কেন্দ্রীয় সরকার।
সূত্রের খবর পাহাড়ি এলাকা তুষারপাত যুক্ত অঞ্চলে ২০২৬ সালে অক্টোবরে এবং অন্যান্য রাজ্য গুলি তে ২০২৭ সালের ১ মার্চ থেকে শুরু হবে গণনার কাজ।
চলতি বছরের আদমশুমারিতে বড় ধরনের একটি সংযোজন হল জাতিগত জনগণনা। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, এই গণনা মূলত তিনটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে হবে গৃহসংখ্যা, বাসিন্দার সংখ্যা ও ঘনত্ব এবং জাতিগত শ্রেণিবিন্যাস। কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল বহুদিন ধরেই জাতিগত জনগণনার দাবি জানিয়ে আসছিল। এবার সেই দাবিকেই মান্যতা দিয়ে কেন্দ্র অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে যেমন সমীক্ষার পরিধি বিস্তৃত হবে, তেমনই ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। আগের তুলনায় এবারের আদমশুমারিতে অনেক বেশি প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতায় আসার পরে নতুন জনগণনা নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী বিশিষ্টরা।







