আহমেদাবাদের সবুজ উইকেট ও আকাশে মেঘ— এমন আবহে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু সেই রিস্কই কাল হল রস্টন চেজদের। প্রথম সেশনে সিরাজ-বুমরাহদের আগুনে বোলিংয়ে ধ্বসে যায় ক্যারিবিয়ান ইনিংস। মাত্র ১৬২ রানে শেষ হয়ে যায় তাদের প্রথম ইনিংস। সিরাজ তুলে নেন ৪টি, বুমরাহর শিকার ৩ উইকেট। কুলদীপ ও সুন্দরও যোগ দেন সাফল্যের তালিকায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান আসে জাস্টিন গ্রিভস ও শাই হোপের ব্যাট থেকে।
জবাবে আত্মবিশ্বাসী সূচনা করে ভারত। কেএল রাহুল ও যশস্বী জয়সওয়াল শুরুতে ধৈর্য ধরে খেললেও তৃতীয় সেশনে বৃষ্টির ব্যাঘাত কাটিয়ে ফের আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন যশস্বী। উইকেটকিপার হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৩৬ রানে ফেরেন তিনি। চেনা মাঠে সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হলেন সাই সুদর্শন। ক্রস ব্যাটে ভুল শট খেলতে গিয়ে চেজের বলে মাত্র ৭ রানে এলবিডব্লিউ হন বাঁ-হাতি ব্যাটার। ফলে দুই ওপেনারের উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত।
তবে এক প্রান্ত আগলে ছিলেন অভিজ্ঞ রাহুল। হ্যামস্ট্রিংয়ের অস্বস্তি থাকা সত্ত্বেও মনঃসংযোগ হারাননি তিনি। নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে প্রতিটি বলকে মূল্য দিয়েছেন। ১০১ বলে পূর্ণ করেন তাঁর ধৈর্যশীল হাফসেঞ্চুরি। দিনের শেষে অপরাজিত থেকে দলকে এগিয়ে রাখেন তিনি। সঙ্গ দেন অধিনায়ক শুভমান গিল (১৮*)।
প্রথম দিনের খেলা শেষে ভারতের সংগ্রহ ১২১/২। এখনও ৪১ রান পিছিয়ে থাকলেও হাতে রয়েছে ৮ উইকেট। উইকেটের চরিত্র ও ব্যাটিং গভীরতা বিচার করলে বলা যায়, স্পষ্ট সুবিধাজনক জায়গাতেই আছে ভারত। আগামী দিনে রাহুল-গিল যদি দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাট করতে পারেন, তাহলে ক্যারিবিয়ানদের ম্যাচে ফেরার রাস্তা কার্যত বন্ধ হয়ে যেতে পারে।







