বিহারে এস আই আর প্রক্রিয়ায় বাদ পরেছে বহু মানুষের নাম। তারপর থেকে এই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন ঘিরে চড়েছে রাজনৈতিক পারদ। বছর ঘুরলেই ২৬শের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এই প্রক্রিয়া নিয়ে সম্পন্ন হলো শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে।
যেকোনো ভোটের আগে প্রতিবার এই নিবিড় সংশোধন অভিযান চলে। তবে এবার নির্বাচন কমিশন মনে করছে ওই প্রক্রিয়া চলেছে ত্রুটিপূর্ণ ভাবে। তাই এবার এসআইআরের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চলবে এই সমস্ত ভোটারের নাম নতুন করে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া। এবার প্রায় ১০ থেকে ১৫ বছর পর দেশজুরে এই অভিযান করেতে চলেছে কমিশন। এই প্রক্রিয়ায় দুটি বিষয় নিশ্চিত করা হবে। প্রথমত কোনো বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না পরে। দ্বিতীয়ত সেই তালিকায় যেন কোনরকম অবৈধ ভোটারের নাম না থেকে। এই তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে চলেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।
২০০২ সালের পর ২৫ সালে এই প্রক্রিয়া হতে চলেছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নথি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না আধার কার্ড। এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রতিটি বাড়িতে ‘এনুমারেশন ফর্ম’ পোঁছে দেবে বুথ লেভেল আধিকারিকেরা। পাশাপাশি কমিশনের পক্ষ থেকে বেঁধে দেওয়া ১১টি নথি জমা দিতেই হবে। কমিশনের নির্দেশের সেই নথির তালিকায় থাকছে কেন্দ্রীয় অথবা রাজ্য সরকারের কর্মী হিসাবে কাজ করেছেন অথবা পেনশন পান এমন পরিচয়পত্র ও ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, এলআইসি, স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া যে কোনও নথি। পাশাপাশি প্রক্রিয়ার সম্পন্নের জন্য নথি জমা দেওয়ার তালিকায় থাকছে জন্ম শংসাপত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক বা তার অধিক কোনও শিক্ষাগত শংসাপত্র ও রাজ্য সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া বাসস্থানের শংসাপত্র সহ ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট। এছাড়াও সেই তালিকায় জাতিগত শংসাপত্র, কোনও নাগরিকের ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার, স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া পারিবারিক রেজিস্ট্রার ও জমি অথবা বাড়ির দলিলের মতন নথি।







