লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গল্প সত্যিই সিনেমার চিত্র নাট্যকে হার মানাবে। হরিয়ানা পুলিশের কনস্টেবলের সন্তান হিসেবে তার জীবন শুরু হলেও, কলেজের সময় প্রেমিকার হত্যার পর তার জীবন তছনছ হয়ে যায়। প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা নিয়ে অপরাধের জগতে প্রবেশ তার। নিজের গ্যাং গঠন করেন। তার নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ এছাড়াও ভিন দেশে। বর্তমানে সে গুজরাটের সবরমতী সেন্ট্রাল জেলে বন্দি।
সামান্য পুলিশ কনস্টেবলের ছেলে সমাজের চাপেই নাকি গ্যাংস্টার। পাঞ্জাবের ফিরোজ পুরে জন্ম তার। আবহর জেলার কনভেন্ট স্কুলে পড়াশোনা। সেই স্কুলে পড়ার সময়ই প্রেমে পড়েন একটি মেয়ের। দুজনেই চন্ডিগড় ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। সেই কলেজে ভর্তি হওয়ার পরই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সেই থেকেই কলেজে দুপক্ষের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। শোনা যায় সেই ঝামেলা থেকেই লরেন্সের বান্ধবী কে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারে। তার পর থেকেই লরেন্সের জীবন বদলে যায়। বদলা নিতে গিয়েই ডন হয়ে ওঠে। তৈরি করে কুখ্যাত গ্যাং ‘ ০০৭।
সলমান খানকে খুনের হুমকি দেওয়ার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস, বিশেষ করে ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিষ্ণোই গ্যাং সলমানকে টার্গেট করে আসছে। ফলে, সলমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ক্রমাগত বাড়ানো হয়েছে। লরেন্সের উত্থান এবং অপরাধের জগতে তার ভূমিকা একটি গভীর সামাজিক সমস্যা তুলে ধরে, যেখানে প্রতিশোধ ও ক্ষমতার লড়াই মানব জীবনের একটি অন্ধকার দিককে প্রতিফলিত করে।







