অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চলতি টি-২০ সিরিজের মাঝপথেই হঠাৎ দেশে ফিরছেন কুলদীপ যাদব। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে, ফর্মহীনতার কারণেই বাদ। কিন্তু আসলে এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে কৌশলগত পরিকল্পনা। জাতীয় দলের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক চাইছে, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে দেশের সেরা চায়নাম্যান স্পিনারকে লাল বলের ছন্দে ফিরিয়ে আনতে। তাই তাঁকে দ্রুত পাঠানো হচ্ছে বেঙ্গালুরুতে, ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’-এ আয়োজিত ভারত ‘এ’ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ সিরিজে অংশ নিতে।
দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে মাত্র তিন ওভার দুই বলে ৪৫ রান দেওয়া কুলদীপের পারফরম্যান্সে গম্ভীর-রোহিত শিবির সন্তুষ্ট হয়নি। পরের ম্যাচেই দলে ঢোকানো হয় ওয়াশিংটন সুন্দরকে, যিনি ব্যাট-বল দুই দিকেই ছাপ রেখেছেন। সেই সঙ্গে বরুণ চক্রবর্তীর ধারাবাহিক ফর্মে স্পিন বিভাগে আর জায়গা ছিল না কুলদীপের। ফলে সিদ্ধান্ত—অর্থহীন বেঞ্চে বসে থাকার বদলে তাঁকে নতুন মিশনে নামানোই শ্রেয়।
বিসিসিআই সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে এখন থেকেই। বেসরকারি টেস্টে পন্থ, রাহুল, সিরাজ, প্রসিদ্ধ, কুলদীপদের খেলিয়ে ম্যাচ ফিটনেস যাচাই করবে বোর্ড। কুলদীপের জন্য এই টেস্টই হয়ে উঠতে পারে পুনরুদ্ধারের মঞ্চ, যেখানে নিজের ছন্দ ও আত্মবিশ্বাস ফেরানোই মূল লক্ষ্য।
অর্থাৎ, অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে সরে যাওয়া মানেই ছাঁটাই নয়—বরং এটা একধরনের ‘স্ট্র্যাটেজিক রিডিপ্লয়মেন্ট’। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্রুত ও বাউন্সি উইকেটে কুলদীপের ভ্যারিয়েশন হতে পারে ভারতের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। তাই বলা যায়, কুলদীপের সাময়িক প্রস্থানই হয়তো তাঁর পরবর্তী বড় প্রত্যাবর্তনের সূচনা।







