নদিয়া — কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে নবদ্বীপে; ঘটনায় দুই বিজেপি নেতা আহত হয়েছেন। বিজেপি অভিযোগ করেছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কনভয়ের ওপর ইটছোড়া এবং একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, সুকান্ত মজুমদারের কর্মসূচি শুরু হয়েছিল নদিয়ার তাহেরপুর থেকে। পরে তিনি জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনে পুলিশের ওপর লাঠিপেটার অভিযোগের প্রতিবাদে একটি থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে যোগ দেন এবং এরপর নবদ্বীপে পৌঁছান—সেখানে বর্তমানে রাশ উৎসব চলে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ সমবেত ছিলেন। নবদ্বীপের সরকারের পার্ক এলাকায় বিজেপির আয়োজিত ‘যাত্রী নিবাস’ কর্মসূচি থেকে বেরোবার সময় কনভয় বাস স্ট্যান্ডের দিকে নজর করে ইট ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে; ভিডিও ও ছবিতে অভিযোগকারীরা লাঠি হাতে দেখা যায়।
সুকান্ত মজুমদার জানান, হামলায় দুই কর্মীর মাথায় গুরুতর আঘাত এসেছে — “দুই কর্মীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আমি পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়ে দিতে চাই, তারা যদি কোনও কড়া ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে রক্তের হিসেব আমরা বুঝে নেব। যদি অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে আমরাই ব্যবস্থা নেব। বিজেপি সেই ক্ষমতা রাখে,” তিনি বলেন।
বিজেপি নেতা সজল ঘোষ এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “এটা নিত্যদিনের কাজ হয়ে গিয়েছে। আইনের শাসন নেই। নেতাদের এই অবস্থা হলে কর্মীদের কী হবে! কেন্দ্রীয় সরকার এবার কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এরা থামবে না, এদের থামাতে হবে।”
দফায় দফায় উত্তরবঙ্গে বিজেপি নেতা-নেত্রীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে—কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও সাংসদ খগেন মুর্মুর উপরও হামলা হয়েছিল; খগেন মুর্মু কয়েকদিন ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটকে বিবেচনায় নিয়ে বিজেপি এবার তীব্র প্রতিবাদ ও কড়া ব্যবস্থার দাবি তুলছে।







