নন্দীগ্রামের ইতিহাসে আজও অমোচনীয় সেই দিন— ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর, “অপারেশন সূর্যোদয়”-এর রক্তাক্ত অধ্যায়। সেদিনের ঘটনায় মৃত্যু হয় দু’জনের, এখনো নিখোঁজ বারো জন। রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই দিনটির গুরুত্ব আজও অপরিসীম।
মঙ্গলবার অপারেশন সূর্যোদয়ের ১৮ বছর পূর্তিতে নন্দীগ্রামের গোকুলনগর করপল্লীর শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শহীদ বেদীতে মাল্যদান শেষে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন —
“মুখ্যমন্ত্রী বহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন — শহীদ বেদী, বিদ্যালয়, আইটি আই কলেজ গড়বেন বলেছিলেন। কিন্তু কিছুই করেননি। প্রতিহিংসা বসত নন্দীগ্রামের ঘরে ঘরে জল পৌঁছাতে দেননি।”
তাঁর বক্তব্য, “আমি নিজের চামড়া কেটে নন্দীগ্রামবাসীর পায়ের জুতো বানিয়ে দিলেও ঋণ শোধ হবে না।”
বিরোধী নেতা আরও বলেন, “সেই সময় যেমন পুলিশ লুকিয়েছিল, এখনো লুকিয়ে আছে। প্রতি ভোটের আগেই তৃণমূলের পরিযায়ী নেতারা আসে— হাতে দামী ফোন, আঙুলে আংটি, আর মুখে শুধু প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি।”
২০০৭ সালের নিখোঁজ ১২ জনের এখনো কোনো মৃত্যু সনদ দেয়নি সরকার, দাবি শুভেন্দুর।
তাঁর কথায়, “যে কাজ মুখ্যমন্ত্রীর করার কথা ছিল, সেই কাজ করেছে শুভেন্দু অধিকারী।”
নন্দীগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ফের স্পষ্ট করলেন — অপারেশন সূর্যোদয় তাঁর কাছে শুধুই অতীত নয়, এটি এক প্রতিশ্রুতি, এক অটল শপথ — নন্দীগ্রামের মানুষের জন্য ন্যায়ের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার।







