পুর নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে তৎপর ইডি। আগেই এই মামলায় কিন্তু তদন্তকারী সংস্থার নজর পরেছিল দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ও তাঁর পরিবারের ওপর। প্রায় প্রতিদিন একে একে প্রতিটি সদস্যকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি আধিকারিকেরা। সোমবার প্রথমে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন মন্ত্রীর জামাই। তাঁর বাণিজ্যিক লেনদেনের সঙ্গে দুর্নীতির অর্থ কোনও ভাবে যুক্ত কি না, সেই দিকই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পরবর্তিতে মঙ্গলবার ইডির দফতরে হাজিরা দিয়েছেন দমকলমন্ত্রী কন্যা মোহিনী। প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে তাঁর থেকে নথি ও বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য বাজেয়াপ্ত করে তদন্তকারীরা। ইডি হাজিরার ক্ষেত্রে জামাই ও কন্যা ছাড়াও রয়েছে সুজিত বসুর স্ত্রী, পুত্র ও মন্ত্রীর স্বয়ং। সকলের কাছেই দ্রুত হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছে ইডি। পাশাপশি তাঁদের সকলকেই ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, ঋণ-সংক্রান্ত নথি ও ব্যক্তিগত আর্থিক কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইডি।
অনেক দিন ধরেই সুজিত বসু ও তাঁর কাছের আত্মীয়দের আর্থিক গতিবিধির উপরে নজর রাখা হয়েছিল বলে জানা গেছে ইডি সূত্রে। এমনকি এর আগে লেকটাউনে মন্ত্রীর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে মোবাইল ফোন সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছিল ইডি কর্মকর্তারা। সম্প্রতি পুনরায় তাঁর দফতর ও পুত্রের ধাবায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু তথ্য বাজেয়াপ্ত করে তদন্তকারীরা। সেই নথিগুলি বিশ্লেষণ করেই তদন্তকারীরা তাঁর পরিবারের সদস্যদের পৃথকভাবে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে আরও কয়েকজনকে তলব করা হতে পারে বলেই ইডি সূত্রের ইঙ্গিত।
এ প্রসঙ্গে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু জানিয়েছেন, ”দেখতেই পাচ্ছেন। আমার বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা গিয়েছে। নিজেদের কথা বলেছে। যদি না-যায় তো বলবে পালিয়ে যাচ্ছে। আমরা পালানোর লোক নই।”







