Uncategorized

কৃষ্ণসাগরে বিস্ফোরণ: ইউক্রেনীয় ড্রোনের শিকার রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাঙ্কার

কৃষ্ণসাগর এখন যুদ্ধক্ষেত্র। শনিবার গভীর রাতে ইউক্রেন রাশিয়ার পণ্যবাহী তেল ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই পরপর দুটি জাহাজে হামলার এই ঘটনা সমুদ্রপথে রাশিয়ার তেল রফতানিতে বড় ধাক্কা দিল। যদিও ইউক্রেন দাবি করছে, এই জাহাজগুলো রাশিয়ার তেল রফতানির ‘ছায়া বহর’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কৃষ্ণসাগরে একটি মানববিহীন সামুদ্রিক ড্রোন আঘাত হানে রুশ তেলবাহী ট্যাঙ্কার ‘ভিরাট’-এ। এর ঠিক আগের রাতেও ওই একই ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। ট্যাঙ্কারের ক্রুরা খোলা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে বিপদসংকেত পাঠিয়ে ড্রোন হামলার কথা জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে ক্রুদের বলতে শোনা যায়, “এটি ভিরাট। সাহায্য চাই! ড্রোন আক্রমণ! মেইডে!” ইউক্রেনের গোয়েন্দা অভিযান
সূত্রের খবর, ইউক্রেনের গুপ্তচর সংস্থা এসবিইউ (SBU) এবং ইউক্রেনীয় নৌসেনার যৌথ অভিযানে এই দুটি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই দুটি ট্যাঙ্কারই রাশিয়ার তেল রফতানির জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। ইউক্রেনের অভিযোগ, পশ্চিমি দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার পরেও রাশিয়া ভিন্ন দেশে তেল বিক্রি করার জন্য এই ‘ছায়া বহর’ ব্যবহার করছিল এবং সেই তেল বিক্রির অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কাজে লাগানো হচ্ছিল।

এই হামলার বিষয়ে কিভ শনিবার মুখ খুলে দাবি করেছে যে, কৃষ্ণসাগরে দুটি পণ্যবাহী জাহাজে তারাই হামলা চালিয়েছে। তুর্কির বসফরাস প্রণালীর কাছাকাছি এই ঘটনা ঘটেছে। তুর্কির কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে শুক্রবার দুটি জাহাজে হামলা হয়েছিল এবং বিস্ফোরণের ফলে জাহাজে আগুন ধরে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে কৃষ্ণ সাগরের কাছে ‘ভিরাট’ এবং ‘কাইরোস’ নামের দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে এই হামলা হয়। ইউক্রেনের দাবি, হামলা যখন হয়, তখন জাহাজগুলো রাশিয়ার প্রধান তেল রফতানিকারক বন্দর নোভোরোসসিস্কের দিকে যাচ্ছিল। তবে ইউক্রেন আরও জানিয়েছে যে, হামলার সময় জাহাজগুলো খালি ছিল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.