বহু বিতর্কের মাঝেও নিজের জায়গায় অনড় থেকে গেলেন হুমায়ূন । বলা বাহুল্য , মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায়, বাবরি মসজিদ , তৈরি না হয় পর্যন্ত হাল ছাড়ছেন না তিনি । পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী , শুক্রবার , দিতে কেটে , রিমোটের মাধ্যমে বাবরি মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন হুমায়ূন কবীর । হুমায়ূনের এই মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠান ঘিরে , ভিড় জমান বিপুল সংখ্যক মানুষ ।দুইজন মৌলবীও আসেন মদিনা থেকে । কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই চলে , এই শিলান্যাস অনুষ্ঠান ।
এই বাবরি মসজিদ , যাকে ঘিরে এত বিতর্ক , দল থেকে সাসপেন্ড পর্যন্ত হতে হলো হুমায়ূন কবীরকে , সেই মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠানেই এলাহী আয়োজন করেন হুমায়ূন । হুমায়ূন যেমন বলেছিলেন , ৬ ডিসেম্বর বহু মানুষের সমাগম হয় , ঠিক তেমনই এদিন জনসমুদ্রের ঢল নামে । প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ আসেন এদিন । বহু দূরদূরান্ত থেকে আসা সংখ্যালঘু মানুষদের আবার মাথায় ইট বহন করে আনতে দেখা যায় ,যাতে তাদের ইটও মন্দিরের ভিতে থাকে। ইসলামের পবিত্র স্থান মদিনা থেকে দুজন কাজীও এসেছিলেন এই শিলান্যাস অনুষ্ঠানে ।
বন্দোবস্ত ছিল এলাহী খাওয়ারেরও। শাহী বিরিয়ানির আয়োজন করা হয়েছিল প্রায় ১ লাখের বেশি মানুষের জন্য । মুর্শিদাবাদের ৭ টি ক্যাটারিং পেয়েছিল এই বিরিয়ানি তৈরির বরাত । শুধু খাওয়ারের জন্যই ৩০ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে বলে খবর ।
সভা মঞ্চ তৈরি ও বাকি সব মিলিয়ে , খরচ হয়েছে , আরো প্রায় ৬০-৭০ লক্ষ টাকা । জানা গিয়েছে , এদিনের মঞ্চটি ছিল প্রায় ১৫০ ফিট দীর্ঘ , যাতে ৪০০ জন অতিথি একসাথে বসতে পারেন । পাশাপাশি প্রায় ৩ হাজার ভলেন্টিয়ার কাজ করেছে এই শিলান্যাস অনুষ্ঠানের দিন ।







