২০২৫ কেটে ২০২৬ সাল শুরু হয়ে গেলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের। তাঁদের নজর এখন সুপ্রিম কোর্ট। বহু প্রতীক্ষিত মহার্ঘ ভাতা মামলার রায়ের ওপর। এখনও রিজার্ভ রয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। কবে মিলবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, সেই অপেক্ষায় লক্ষাধিক কর্মী।
বিভিন্ন রিপোর্ট অনুসারে, জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেই এই মামলার রাজধানীর সম্ভাবনা রয়েছে। যা নিয়ে প্রবল জল্পনা চলছে। নতুন বছরের শুরুতে এই বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। রাজ্যের সমস্ত সরকারি কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্তদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তিনি ডিএ মামলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোকপাত করেন।মলয় মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দেশের অধিকাংশ রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্যসূচক অনুযায়ী নিয়মিত হারে কর্মীদের ডিএ প্রদান করে থাকে। প্রশাসনিক দেরি হলেও পরে সম্পূর্ণ বকেয়া অর্থই মেটানো হয়।
তবে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম মানা হচ্ছে না বলেই অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে থাকা কিছু কর্মচারী, যারা দিল্লি বা চেন্নাইয়ের মতো জায়গায় অবস্থিত রেসিডেন্ট কমিশনার অফিসে কর্মরত, তাঁরা সেই অনুযায়ী ডিএ পাচ্ছেন। অথচ রাজ্যের অভ্যন্তরে কর্মরত কর্মচারীরা সেই সমস্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকছে। এই বৈষম্যের বিষয়টি আদালতের নজরে আসবে বলেই আশা সংগঠনের। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে শীতকালীন অবকাশ চলছে। আগামী ৫ই জানুয়ারি ২০২৬-এ আদালত খুলছে। এমনকি সংগঠনের দাবি, আদালত খোলার প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই ডিএ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে। যদি এই সময় সীমার মধ্যে রায় না আসে, তবে অপেক্ষারত রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক হবে বলেই মত সংগঠনের।







