জেলারাজনীতি

বারাসতে টিকিট জল্পনার মাঝেই আবেগপ্রবণ চিরঞ্জিত, মঞ্চে চোখে জল

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন আর কে পাবেন না—এই জল্পনার মধ্যেই আবেগে ভাসলেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। মঞ্চে ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে অভিনেতা-রাজনীতিকের। মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, আরও কাজ বাকি—এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার টিকিট দিলে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেন।

গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত। তবে ছাব্বিশের ভোটের আগে বারাসতের অলিগলিতে কানাঘুষো—এবার আদৌ তিনি টিকিট পাবেন তো? কারণ, শাসকদলের বড়সড় কর্মসূচি বা প্রতিবাদ মিছিলে তাঁকে খুব একটা দেখা যায় না। এলাকায় গুঞ্জন, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের নামও আলোচনায়। যদিও চিরঞ্জিত স্পষ্ট করেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপরই ভরসা রাখছেন।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা আঁচ করেই হয়তো তাঁর আবেগপ্রবণতা। এ দিন চিরঞ্জিত বলেন, “আমি রাজনীতি বুঝি না, মানুষকে বুঝি। এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছি। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু সিট দরকার। উনি আমার উপর ভরসা করেছিলেন।” নিজের সীমাবদ্ধতার কথাও অকপটে স্বীকার করে তিনি বলেন, “আমি মিছিল করতে পারি না, চিৎকার করতে পারি না, স্লোগানও দিতে পারি না। আমি মানুষের কাজ করতে পারি।”

তিনি জানান, একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে থাকলেও অর্থাভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার ইচ্ছার কথাও জানান চিরঞ্জিত। তাঁর কথায়, “নেত্রী যদি মনে করেন আমায় থাকতে হবে, সেটা নিয়ে তখন ভাবা যাবে।” বারাসতে এখন নজর সবটাই তৃণমূলের টিকিট ঘোষণার দিকে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.