ধোনির অনুপস্থিতিতে চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটিং যেন বিভ্রান্ত, দিশাহীন। মাত্র ১২৭ রানে সাঙ্গ হল রুতুরাজদের ইনিংস। জবাবে ৮ উইকেটে জয় তুলে নিল রাজস্থান রয়্যালস। আর সে জয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম—মাত্র ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী। আবির্ভাবের ম্যাচেই ১৭ বলে অপরাজিত ৫২, রাজস্থানের চেজকে শিশুতোষ করে দিল কিশোর প্রতিভা।
ধোনির শূন্যস্থান চোখে পড়ল বারবার
মাঠে নেই মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ডাগআউটে নেই তাঁর ঠান্ডা মাথার উপস্থিতি। আর সেই শূন্যস্থানই যেন সবচেয়ে বেশি প্রকট হল চেন্নাইয়ের ব্যাটিংয়ে। শুরুতেই নান্দ্রে বার্গারের সুইং-ঝড়ে ৬ রানে থেমে গেল বিশ্বকাপ-তারকা সঞ্জু স্যামসনের ব্যাট।
কিছু ক্ষণ পরেই জোফ্রা আর্চারের গতির শিকার অধিনায়ক রুতুরাজ। আয়ুষ শূন্য। কার্তিক শর্মা ১৮ করে চেষ্টা করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু ধারাবাহিক উইকেট পতন চেন্নাইকে আরও পিছিয়ে দেয়।
ব্যাটিং ভাঙনের মধ্যেও একমাত্র প্রতিরোধ জেমি ওভার্টনের (৪৩) কাছ থেকে। সেই ভরসায় ১২৭ পর্যন্ত লড়াই করে সিএসকে। তবে সেটা যে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক স্কোর নয়, তা হাতেনাতে প্রমাণ করে দিল রাজস্থান।
জাদেজার জোড়া আঘাত—প্রাক্তনদের লড়াইয়ে বাড়তি মাত্রা
গুয়াহাটির দর্শকদের বিশেষ নজর ছিল ঘরের দুই প্রিয় মুখে—
চেন্নাইতে যাওয়া সঞ্জু স্যামসন,
রাজস্থানে ঘরওয়াপসি করা রবীন্দ্র জাদেজা।
প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে জাদেজাই ছিলেন বেশি কার্যকর। ২ উইকেট মাত্র ১৮ রানে তুলে নিয়ে চেন্নাই ব্যাটিংয়ে প্রথম ধাক্কা তিনিই দেন। সরফরাজ খান ও শিবম দুবে—দুজনকেই ফেরান তিনি। অন্যদিকে সঞ্জুর ব্যাটে রান এল না—স্রেফ ৬।
যশস্বী-অনশুলের ভিত্তি, বৈভবের বজ্রপাত
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে যশস্বী (৩৮) ও অনশুল (২৭) দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে রাজস্থানের ভিত তৈরি করে দেন। তবে প্রকৃত ঝড় নামে বৈভব নামার পর।
মাত্র ১৭ বলে ৫২, চার-ছক্কার আতশবাজিতে মুহূর্তে হাল ছেড়ে দেয় চেন্নাই।
১২.১ ওভারেই ১২৮/২ করে আরামসে জিতে নেয় রাজস্থান।
স্কোরকার্ড
চেন্নাই সুপার কিংস — ১২৭/১০
জেমি ৪৩ | কার্তিক শর্মা ১৮
আর্চার ২/১৯ | বার্গার ২/২৬
রাজস্থান রয়্যালস — ১২৮/২
বৈভব ৫২* | যশস্বী ৩৮
অনশুল ২/২৭







