অবশেষে , প্রকাশ করা হলো , SIR এ নিষ্পত্তি হওয়া সম্পূর্ণ নামের তালিকা । যা নিয়ে , বর্তমানে রীতিমতো তুঙ্গে চাপানউতোর । আর তারই মাঝে , ফের সাংবাদিক সম্মেলন করে , বিজেপি এবং কমিশন যে এক সেই অভিযোগ তুললেন কুণাল ঘোষ । তাঁর কথায় , “নির্বাচন কমিশন পুরোদস্তুর বিজেপির দলদাসে পরিণত হয়েছে। বিজেপির সংগঠন নেই তাই দায়িত্ব যেন নিজেরাই কাঁধে তুলে নিয়েছে নির্বাচন কমিশনের লোকজন।”
পাশাপাশি নন্দীগ্রামের বিষয় নিয়েও কুণাল বলেন , “মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক প্রথমেই বেড়াতে গেলেন নন্দীগ্রামে। সেখানে তাঁর সঙ্গে ঘুরছেন বিজেপির কালীচরণপুরের অঞ্চল কোঅর্ডিনেটর। এর আগে নন্দীগ্রাম ২ এর বিডিও সুরজিৎ রায়ের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অভিযোগ ছিল।” উল্লেখ্য , এদিন সেই ছবিও তুলে ধরেন কুণাল ঘোষ। কুণাল ঘোষের পাশাপাশি , চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও সুর চড়িয়ে প্রশ্ন করেন , “উনি নন্দীগ্রামে যেতেই পারেন। কিন্তু সঙ্গে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতার ঘনিষ্ট তপন কুমার মহাপাত্র। তাঁকে সিইও-র সঙ্গে ঘুরতে দেখা গেল। এই ঘটনা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করে?”
এছাড়াও এদিন , SIR এ নাম বাদের প্রসঙ্গ উঠতেই কুণাল ঘোষ বলেন , ” এই নির্বাচন কমিশন বৈধ ভোটারদের বাদ দিচ্ছেন। অন্য রাজ্যের ভোটারদের ভোটার লিস্টে কপি পেস্ট করে ঢোকানোর চেষ্টা করছেন। এখানকার সমস্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিজেপির সুপারিশ করা লোকজন ঢুকিয়ে ভোটে কারচুপি করার চেষ্টা করছেন। এর থেকে নির্বাচন কমিশনের লোকজন নিজেরাই লড়তে পারতেন। ” তৃণমূল প্রার্থীর সাফ কথা , “মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, তৃণমূল কোর্টে ময়দানে লড়াই না করলে দেড় দু’কোটি নাম বাদ দিয়ে যেত। যাদের নাম রাখা গিয়েছে তা শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল কেন নাম বাদ যাচ্ছে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। সেই ব্য়াখ্যা আমরা পাচ্ছি না।”
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কুণাল ঘোষ আরও বলেন , “বিজেপির মুখোশ পরে এসব করার কী দরকার! কিন্তু কোনও লাভ হবে না। আড়াইশোর বেশি আসন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবারের জন্য মা মাটি মানুষের সরকার গড়তে তুলেছেন।”







