২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হতেই রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে উত্তাপ। শুক্রবার নিউ টাউনে বিজেপির ইস্তাহার প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একই সময়ে কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহী’ মন্তব্যে তোপ
এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রচুর ভোটার তালিকা বাদ নিয়ে দিলীপ ঘোষের ‘দেশদ্রোহী’ উক্তিকে তীব্র সমালোচনা করেন সেলিম। তাঁর প্রশ্ন—
“বহু মানুষের নাম বাদ পড়লেই তাঁরা কি দেশদ্রোহী হয়ে গেলেন? কার অধিকার দিলীপ ঘোষ ঠিক করবেন কে দেশদ্রোহী?”
তিনি দাবি করেন, দিলীপ ঘোষকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেই হবে। একই সঙ্গে ভোটাধিকার খর্ব করার গভীর ‘চক্রান্ত’ চলছে বলেও অভিযোগ।
‘বিজেপি বামেদের ভয় পাচ্ছে’— সেলিমের কটাক্ষ
বিজেপির ইস্তাহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে বারবার বাম আমলের প্রসঙ্গ তোলায় সেলিম কটাক্ষ করে বলেন—
“অমিত শাহ ভয় পেয়েছেন বলেই বারবার বাম আমলকে টেনে আনছেন।”
তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ না করে সিপিএম নেতাদের বিরুদ্ধে পোস্টার যুদ্ধ নিয়েও তাঁর খোঁচা—
“ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা।”
বামদের ইস্তাহার নকলের অভিযোগ
বামফ্রন্ট আগেই ইস্তাহার প্রকাশ করায় বিজেপি ও তৃণমূল তড়িঘড়ি নিজেদের সঙ্কল্পপত্র আনছে— এমনটাই দাবি সেলিমের। তাঁর মতে,
“শাসক ও প্রধান বিরোধী— দুই দলই মানুষের আস্থা হারিয়েছে।”
বঙ্গে ইউসিসি আনতে বদ্ধপরিকর বিজেপি
অন্যদিকে, বিজেপির সঙ্কল্পপত্রে সবচেয়ে আলোচিত প্রতিশ্রুতি— বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) কার্যকর করা। শাহ জানিয়েছেন,
“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধিতা করলেও ক্ষমতায় এলে ছয় মাসের মধ্যেই বাংলায় ইউসিসি চালু হবে।”
সঙ্গে রয়েছে ‘ধর্মাচরণের স্বাধীনতা’ নিশ্চিত করতে পৃথক আইন আনার প্রতিশ্রুতিও।







