তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙনের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন দলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই বড় কোনও রাজনৈতিক ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও সেই ঘটনার প্রকৃতি সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি।
বর্তমানে দল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া ২০ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদ এখনও সংসদে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচয়েই উপস্থিত হচ্ছেন। কারণ, তাঁদের নতুন দল এনসিপিআই এখনও পর্যন্ত লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার স্বীকৃতি পায়নি। সেই কারণেই সম্প্রতি এনডিএ-র বৈঠকেও তাঁরা তৃণমূলের সাংসদ হিসেবেই অংশ নেন।
এই পরিস্থিতিতে ওই ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, স্পিকারের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা না করে এখনই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া উচিত বলে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের সম্মতি মিললেই এনসিপিআই-এর বৈধতা এবং দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করার দাবিতে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করা হতে পারে।
এদিকে, প্রথম বৈঠকে আমন্ত্রণ না পেলেও পরে এনডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে জোটের অন্যান্য সাংসদদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এনডিএ-র দ্বিতীয় বৈঠকেও এনসিপিআই-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।







