গতকাল, এক নতুন ইতিাসের সাক্ষী হলো শত কোটি ভারতবাসী। চন্দ্রযান-৩ এর উৎক্ষেপণের মাধম্যে বিশ্ব দরবারে আরো একবার সকল ভারতীয়কে গর্বিত করলো ইসরো।
বিভিন্ন মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এমনকি খালি চোখেও পর্যবেক্ষণ করা গেছিলো এই উৎক্ষেপণটি। ISRO-এর বিজ্ঞানী এবং ভারতের জনগণ উভয়েই এই কৃতিত্বে অত্যন্ত গর্ব অনুভব করেছেন। মছলন্দপুরের নাকপুল গ্রামের নীলাদ্রি মৈত্র এই মিশনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেছিলেন, যা বঙ্গবাসীর গর্ব অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
নীলাদ্রি, একজন মেধাবী ছাত্র, বাংলা মিডিয়ামে তিনি তার শিক্ষা শুরু করেন এবং মছলন্দপুরের নাকপুল স্বামীজি সেবা সংঘ থেকে মাধ্যমিক পাস করেন। তিনি একটি যৌথ পরীক্ষার মাধ্যমে খড়গপুর এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পান। সুযোগ পান ISRO আর NASA-তে পরীক্ষা দিয়ে বিজ্ঞানী হওয়ার। তবে শেষ পর্যন্ত বেছে নেন ISRO কেই।







