ছুটির মরসুমে মন্দারমণিতে পর্যটকদের ভিড় বাড়তেই সমুদ্রসৈকতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করল প্রশাসন। একের পর এক দুর্ঘটনার পর এবার ৩ নম্বর ঘাট সংলগ্ন প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিপজ্জনক অংশে যাতে পর্যটকেরা ভুল করে বা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঢুকে না পড়েন, সে জন্য বাঁশের খুঁটি, দড়ি এবং লাল ফিতে দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ব্যারিকেড। স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, চিহ্নিত এলাকার বাইরে গিয়ে সমুদ্রে নামা যাবে না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত এক মাসে মন্দারমণির সমুদ্রে তলিয়ে অন্তত পাঁচ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও অনেকে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় নেমে পড়ছেন বলে অভিযোগ।
এই পরিস্থিতিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ এবং মন্দারমণি কোস্টাল থানার উদ্যোগে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। বিশেষ করে হোটেল থেকে বেরিয়ে নজর এড়িয়ে বিপজ্জনক সৈকত এলাকায় চলে যাওয়ার প্রবণতা আটকাতেই এই পদক্ষেপ বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
চোখে পড়ার মতো ব্যারিকেড ও ‘রেড জোন’ চিহ্ন থাকায় বিপজ্জনক এলাকা সহজেই বোঝা যাবে বলে মনে করছেন পর্যটকদের একাংশ। প্রশাসনের এই উদ্যোগে সমুদ্রসৈকতে দুর্ঘটনা কমবে বলেই আশা।







