জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এবার পথে নামতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ইতিমধ্যেই এসআইআর ইস্যুতে আন্দোলনে নেমেছে ইন্ডিয়া জোট। তারই মধ্যে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে অভিজিৎ দীপকের দল। সেই কর্মসূচিতে তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
নিট ইস্যুতে আন্দোলনের পর এবার এসআইআর বিতর্ককে রাজনৈতিক হাতিয়ার করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করেছে তারা। সেই কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলে দলের অন্দরে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত ককরোচ জনতা পার্টির তরফে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে নিট ইস্যুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন চলাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন। যদিও তাঁর দিল্লি সফরের আগেই আন্দোলনকারীদের দাবি পূরণ হওয়ায় সেই কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এবার এসআইআর বিতর্কে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ফের যন্তর মন্তরে সমাবেশের ডাক দিয়েছে দলটি। ফলে সেখানে মমতার উপস্থিতি ঘিরে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, “ককরোচদের আন্দোলনে ছাড়পোকারা যেতে পারেন। তাতে আমাদের কী। আমাদের কিছু যায় আসে না। সমস্ত রাজনৈতিক দল ন্যায়-নীতি বিসর্জন দিয়েছে। আরশোলারা তো অনুঘটক। তাদের সামনে রেখে সারা ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে উইপোকা-ছাড়পোকার দল। এসব করে লাভ হবে না। সমস্ত প্রোপাগান্ডাই তৈরি হয়েছে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে। এই নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, এরকম আরও অনেক কিছু দেখতে পাবেন। নির্বাচন কমিশনও একসঙ্গে বসে প্রেস কনফারেন্স করেছে। শুধু যারা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছে, তাদের কানে এটা পৌঁছচ্ছে না।”







